1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

দিল্লি ধর্ষণকাণ্ডে নাবালক আসামীর তিন বছরের কারাদণ্ড

গত ১৬ই ডিসেম্বরের দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডের নাবালক আসামির তিন বছরের জেল হয়েছে৷ নাবালক বলে তাঁর বিচার হয় জুভেনাইল জাস্টিস কোর্টে৷ রায়ে নাবালক হিসেবে তাঁকে তিন বছর রাখা হবে সংশোধনাগারের জেলে৷

নানা কারণে রায় দান স্থগিত রাখতে হয় চারবার৷ কিছুদিন আগে মুম্বই মহানগরীতে একটি পরিত্যক্ত কারখানার ভেতরে গণধর্ষিতা হন এক চিত্র সাংবাদিক তরুণী৷ প্রশ্ন উঠেছে, ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠন করেও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক দ্রুত শাস্তি দেয়া হচ্ছেনা কেন?

গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িত অপর পাঁচজনের মধ্যে একজন জেলের ভেতরেই আত্মহত্যা করে, আর অপর চারজনের বিচার প্রক্রিয়া চলেছে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টে৷ আসামির নাবালকত্ব নিয়ে একটা বিতর্ক ছিল৷ বলা হয়, সাবালকত্বের বয়স যদি ১৮ বছর ধরা হয়, তাহলে ধর্ষণের সময় ৬ মাস মাত্র কম ছিল ধর্ষকের৷ মানসিক বিচার বুদ্ধির দিক থেকে এই অপরাধের গুরুত্ব বুঝেই সে ঐ কাজ করেছে, কাজেই সেদিক থেকে তাঁর শাস্তি আরো কঠোর হওয়া উচিত ছিল৷ বর্তমান ফৌজদারি আইনে নাবালকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা এটাই৷

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ই ডিসেম্বর রাতে দিল্লির একটি চলন্ত বাসে ২৩ বছরের এক প্যারা-মেডিক্যাল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে বাসের চালক, কণ্ডাক্টর ও ক্লিনারসহ ছয়জন৷ অপরাধের পর তরুণীকে বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়৷ গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শেষে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরে৷ সেখানে ২৯শে ডিসেম্বর তরুণীর মৃত্যু হয়৷ ধর্ষণের আগে ঐ বাসের আরেক যাত্রী, যিনি পেশায় কার্পেন্টার, তাকেও ধাক্কা মেরে বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়৷ ফেলে দেয়া হয় তরুণীর এক পুরুষ বন্ধুকেও৷

দিল্লি গণধর্ষণের ঘটনায় দেশের সর্বস্তরের মানুষ যেভাবে প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে তার প্রেক্ষিতে সরকার সংসদে নতুন বিল পাস করে ধর্ষণের শাস্তি কঠোর করা হয়৷ তারমধ্যে ফাঁসিও আছে৷ ফাস্ট-ট্যাক-কোর্টে বিচারাধীন চারজনের রায় বের হতে পারে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন