1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

দিল্লির বুকে স্বাধীন কাশ্মীরের ডাক গিলানির

দিল্লির বুকে দাঁড়িয়ে কট্টরপন্থী হুরিয়াত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি এবং অন্য বক্তারা যেভাবে স্বাধীন কাশ্মীরের ডাক দিয়েছেন, সেটাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে বর্ণনা করে কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিয়েছে বিরোধী বিজেপি৷

Syed Ali Shah Geelani

হুরিয়াত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি (ফাইল ফটো)

তারা বলেছে, সরকার এই ধরণের সভা করার অনুমতি দেয়ায় গোটা দেশ স্তম্ভিত৷

গতকাল দিল্লিতে বন্দি মুক্তি কমিটি আয়োজিত এক সেমিনারে কট্টরপন্থী হুরিয়াত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি ও অন্যান্য বক্তারা যেভাবে স্বাধীন কাশ্মীরের ডাক দিয়েছেন, তার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি৷ কেন্দ্রীয় সরকারের নাকের ডগায় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এই ধরণের সেমিনার করায় গোটা দেশ স্তম্ভিত, বলেন বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি৷ বক্তাদের গলায় একই সুর৷ ভারতকে অখন্ড থাকতে দেয়া হবেনা৷ টুকরো টুকরো করতে হবে৷ এ জিনিস কোন দেশই মেনে নিতে পারেনা৷ গণতন্ত্র কী রাষ্ট্রদ্রোহিতাকে প্রশ্রয় দিতে পারে? স্পষ্টতই না৷ অরুণ জেটলি বলেন,স্বাধীন মত প্রকাশের নামে কেউ দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা বিনষ্ট করার শ্লোগান তুলতে পারেনা৷গিলানি যে বক্তব্য রাখেন আইন অনুসারে তা দন্ডনীয় অপরাধ৷

কী বলেছিলেন আলি শাহ গিলানি ? একই মঞ্চে নক্সাল নেতা ও খালিস্তানি সমর্থকদের পাশে নিয়ে সরকারের কাশ্মীর প্যাকেজকে নস্যাৎ করে দিয়ে তিনি বলেছিলেন,এটা সরকারের এক ধরণের ধোঁকাবাজি৷ সরকারের কাশ্মীর প্যাকেজের মধ্যস্থতাকারীদের বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে গিলানি বলেন, কাশ্মীর সমস্যার একমাত্র সমাধান আজাদি অর্থাৎ স্বাধীনতা৷ এর প্রতিবাদ জানিয়ে কাশ্মীরের বিতাড়িত হিন্দু পন্ডিতরা এবং তাদের সংগঠন পানুন কাশ্মীরের সমর্থকরা গিলানির বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয় এমন কী তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো ছোঁড়ে৷ শুরু হয় গন্ডগোল৷ সেমিনারের অন্যতম বক্তা বিশিষ্ট লেখিকা ও সক্রিয়বাদী অরুন্ধতী রায় কাশ্মীরীদের আত্মনিয়ন্ত্রণের লড়াইকে সমর্থন করার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশে যেমন নাগাল্যান্ড, মনিপুর, ছত্তিসগড়, ঝাড়খন্ড ও ওড়িষায় ন্যায় বিচার ও অধিকার রক্ষার অনুরূপ লড়াই চালানোর জন্য এক অভিন্ন মঞ্চ গড়ে তোলার কথা বলেন৷ কাশ্মীর ও মাওবাদী আন্দোলনকে একই বন্ধনীতে রাখেন তিনি৷ বলেন,আদিবাসীদের হাতে তীর ধনুক আর কাশ্মীরীদের হাতে ঢিল পাথর৷

পাল্টা প্রশ্ন তোলেন কাশ্মীর থেকে বিতাড়িত হিন্দুরা৷ তাঁরা বলেন, ১৯৮৯ সালে কাশ্মীর অগ্নিগর্ভ হতে শুরু করলে হাজার হাজার কাশ্মীরী পন্ডিতরা যখন ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়, তখন অরুন্ধতী রায়ের মত বুদ্ধিজীবীরা চুপ ছিলেন কেন?

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন