1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

দিল্লিতে দ্রুত বিচার আদালতে ধীর গতি

গত ১৬ই ডিসেম্বর দিল্লিতে একটি চলন্ত বাসে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার৷ মামলাটি বিশেষ দ্রুত বিচার আদালতে নেয়া হলেও নানা কারণে এখনো এর বিচার কাজ শেষ হয়নি৷

সে সময় ঘটনাটি নিয়ে পুরো ভারতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়৷ আর সেই বিক্ষোভের মুখেই মামলাটি বিশেষ দ্রুত বিচার আদালতে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার৷ তবে ভারতে যেখানে সাধারণ একটি অপরাধের বিচার করতে ১০ বছরেরও বেশি সময় লাগে, সেখানে এই মামলাটি দ্রুত শেষ করার আশা বাহুল্য মাত্র৷ ঘটনার সাত মাস পেরিয়ে গেলেও বিশেষ দ্রুত বিচার আদালতে এখনও মামলাটির কাযর্ক্রম চলছে৷ ১০০ জন সাক্ষীর মধ্যে প্রতিদিন অন্তত একজনের সাক্ষ্য নেয়া হচ্ছে এবং দুই ঘণ্টা পরেই স্থগিত হয়ে যাচ্ছে আদালতের কাযর্ক্রম৷

১২ কোটি মানুষের দেশ ভারত৷ কিন্তু প্রতি কোটি মানুষের জন্য রয়েছে মাত্র ১১ জন বিচারক৷ সুতরাং এই বিচারক সংকটের কারণে দীর্ঘ দিন ধরে কোটি কোটি মামলা ঝুলে থাকছে আদালতে৷ যার মধ্যেই বেশিরভাগেরই মীমাংসা হতে লেগে যাচ্ছে বছরের পর বছর৷ অথচ যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র এক কোটি মানুষের জন্য রয়েছে মোট ১১০ জন বিচারক৷

Indien Proteste in Delhi

তখন ঘটনাটি নিয়ে পুরো ভারতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়

এ কারণেই ২০০৯ সালে ভারতের আইন কমিশন আইন মন্ত্রণালয়ে একটি সংস্কার প্রস্তাব পাঠিয়েছিল৷ বিচারের সময় নির্ধারণ, বিচারক বাড়ানোসহ বেশ ধরণের প্রস্তাব ছিল এতে৷ তবে নানা কারণে প্রস্তাবটির বাস্তবায়ন আর করা হয়ে উঠেনি৷

গত মাসে শুনানির শেষ সময়ে ঐ ধর্ষণ মামলাটির দুই অপরাধীর আইনজীবী দাবি করেন যে, তৃতীয় অপরাধী তার বক্তব্য পরিবর্তন করেছে৷ অথচ গত মাসেই এ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণার কথা ছিল৷ অবশ্য সরকারের চাপ থাকার কারণে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বিষয়ক দ্রুত বিচার আদালতে প্রথম মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ এ মাসেই শেষ হবে এবং আগামী মাসে চূড়ান্ত রায় দেয়া হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা৷

ওদিকে, মামলাটির ধীরগতির জন্য প্রতিরক্ষা দলকেই দুষছেন আইনজীবীরা৷ অপরাধ বিষয়ক আইনজীবী রেবেকা জন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বা এপি-কে বলেন, ভারতের পুরো আইন ব্যবস্থায় পরিবতর্ন আনা দরকার এবং সব মামলার কার্যক্রম দ্রুত বিচার আদালতেই হওয়া প্রয়োজন৷ এখানে একটাকে দ্রুত বিচার আদালতে নেয়া হলে বাকি মামলাগুলো আরো ধীর গতিতে চলতে থাকবে৷

এপিবি/ডিজি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়