1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

দা ভিঞ্চির ওড়ার স্বপ্ন সার্থক করল এক ক্যানাডিয়ান ছাত্র

১৪৮৫ সালে তাঁর ‘অর্নিথপ্টার’-এর ছবি এঁকেছিলেন লিওনার্দো দা ভিঞ্চি৷ শুধুমাত্র মনুষ্যশক্তিতে, পাখিদের মতো পাখা নেড়ে নেড়ে উড়বে সেই পক্ষিযান৷ কাজটা এবার ঠিকমতো করে দেখিয়েছেন ইঞ্জিনীয়ারিং-এর ছাত্র টড রাইশার্ট৷

default

লিওনার্দোর স্বপ্ন সফল হতে ৫২৫ বছর সময় লেগেছে

টড তাঁর ওড়ার যন্ত্রটির নাম রেখেছেন স্নোবার্ড বা তুষার পাখি৷ কার্বন ফাইবার আর বালসা কাঠ দিয়ে তৈরী, তাই অতীব হালকা - মাত্র ৪৩ কিলোগ্রাম৷ মাত্র বললাম কেননা স্নোবার্ডের দুটি পাখা মিলিয়ে মোট দৈর্ঘ্য হল ৩২ মিটার, যা কিনা একটা যাত্রীবাহী বোয়িং ৭৩৭ জেট বিমানের সঙ্গে তুলনীয়৷ টড'এর স্নোবার্ড উড়েছে ১৪৫ মিটার মাত্র ১৯.৩ সেকেন্ডে, অর্থাৎ ঘণ্টায় প্রায় ২৬ কিলোমিটার গতিতে৷ কবে? বিগত দোসরা অগাস্ট টরোন্টোর উত্তরে টটেনহ্যামের গ্রেট লেকস গ্লাইডিং ক্লাবে৷

ফেরা যাক দা ভিঞ্চির কথায়৷ সেখান থেকে আমাদের আসতে হবে রবীন্দ্রনাথের সেই ও যন্ত্রের পাখি, ওরে ওরে আগুনখাকীতে৷ মাঝখানে স্টপ দিতে হবে ১৯০৩ সালে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের রাইট ভ্রাতৃদ্বয় প্রথমবারের মতো তাদের উড়োজাহাজ নিয়ে মাটি ছেড়ে আকাশে ওঠেন৷ রাইটরা সেবার উড়েছিলেন সাকুল্যে ১২ সেকেন্ড, দূরত্ব অতিক্রম করেছিলেন মোট ৩৭ মিটার৷

১৯৭৭ সালে গসামার কন্ডর নামের একটি মনুষ্যশক্তি চালিত যান ১.৬ কিলোমিটার ধরে চক্কর খায়, আকাশে থাকে সাড়ে সাত মিনিট৷ এর ঠিক দু'বছর পরেই অপর একটি গসামার বায়ুযান সরাসরি ইংলিশ চ্যানেল পার হয়৷ তারপর টড রাইশার্টের স্নোবার্ড৷ যানটির ওজন কম রাখার জন্য সেটিতে টেক-অফ বা মাটি ছেড়ে ওঠার জন্য কোনো যন্ত্রপাতি রাখা হয়নি৷ সাধারণ গ্লাইডারের মতোই গাড়ি দিয়ে টেনে তার ওড়ার ব্যবস্থা করা হয় - অনেকটা আমাদের ঘুড়ি ওড়ানোর মতো৷ তবুও রাইশার্ট কোনোরকম চান্স নিতে চাননি: স্নোবার্ড নিয়ে ওড়ার আগে গোটা গ্রীষ্ম ধরে ওজন কমিয়েছেন আট কিলো!

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়