1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘দশম সংসদ ভেঙে নির্বাচন' সংক্রান্ত বক্তব্যে তোলপাড়

আগামী পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ তবে সেই নির্বাচনের পর দশম সংসদ গঠন করে তা ভেঙে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি৷ হাসিনার এই মন্তব্য ফেসবুকে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে৷

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে৷ উনি (খালেদা জিয়া) পারবেন না৷'' তবে বিরোধী দলের সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়ে শর্তসাপেক্ষে তাঁর বক্তব্য হচ্ছে, ‘‘...নির্বাচনের পর আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে যদি সমঝোতায় আসতে পারি, প্রয়োজনে আমরা পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে পুনরায় নির্বাচন দেব৷''

ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় হাসিনার এই বক্তব্যের আলোকে জানানো হয়, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেয়ার সুযোগ নেই৷ তিনি জানান, নির্বাচনের পর আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমঝোতা হলে প্রয়োজনে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে পুনরায় নির্বাচন দেয়া হতে পারে৷ একটাই শর্ত, বিরোধী দলকে, হরতাল-অবরোধ, মানুষ খুন করা বন্ধ করতে হবে৷ জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে হবে৷''

বলাবাহুল্য, হাসিনার এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন অনেকে৷ ইমন হাসান লিখেছেন, ‘‘একটা নির্বাচন করতে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়৷ আর এই টাকাটা কারো বাবার না, টাকাটা জনগণের৷ তাই নিজেদের টাকা খরচ করে নির্বাচন একবার না ১০ বার করুক তাতে জনগণের কিছু আসে যায় না...৷''

রায়হান হক নামক আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী শেখ হাসিনার উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: একটাই শর্ত:- ১) বিরোধী দলকে হরতাল-অবরোধ, ২) মানুষ খুন করা বন্ধ, ৩) জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে হবে৷ শর্ত তিনটা৷ বিএনপির শর্ত একটা - প্রধানমন্ত্রীর সরে দাঁড়ানো৷ সহজ কোনটা? বলেনতো? আমাদের সাথে৷''

ডয়চে ভেলের আরেক পাঠক মামুনুর রশীদ অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ ফেসবুকে তিনি লিখেছেন ‘‘হাসিনা ভুল কিছুতো বলেন নাই৷ এখন এই মুহূর্তে নির্বাচন বাতিল করা কি সম্ভব? ইলেকশনের ভোট নেওয়াটা বাদে সব কাজ শেষ৷ সুতরাং, এখন দশম না একাদশ নির্বাচন নিয়ে আলাপ করা উচিত৷''

একই বিষয়ে সোহাগ ব্যাপারি লিখেছেন, ‘‘দেশের সম্পদ রক্ষার্থে, তালেবানের হাত থেকে দেশ বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাবটাই মেনে নেয়া উচিত৷''

এদিকে, বাংলা ব্লগেও নির্বাচন নিয়ে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে বিভিন্ন নিবন্ধ৷ সামহয়্যার ইন ব্লগে আব্দুর রহমান মিল্টন লিখেছেন, ‘‘এবার কষ্ট করে কোনো ভোটারকে নির্বাচন কেন্দ্রে যেতে হবে না৷ কারণ সবাই এমনিতেই এমপি হয়ে যাচ্ছে৷ যারা এবার নতুন ভোটার তাদের এবার ভোট দেওয়ার ইচ্ছায় গুঁড়ে বালি৷ এক্কেবারে ফাঁকা মাঠে গোল৷ আহারে কি আনন্দ আকাশে বাতাসে৷''

একই ব্লগ সাইটে রাসেল মাহমুদ মাসুমের নিবন্ধের শিরোনাম, ‘‘ইনস্ট্যান্ট নির্বাচন ও আমাদের সুবিধা৷'' এই ব্লগার লিখেছেন, ‘‘একবিংশ শতকে বিংশ শতকের রাজনীতি চলবে না৷ আমরা ‘আনুষ্ঠানিক গণতন্ত্র' চালু করলাম৷ সবাই আমাদের অনুসরণ করুক এবং তাই সবাইকে জানিয়ে দিন ‘ভোটার ক্লেশ নিবারণী পদ্ধতি' হচ্ছে সবচেয়ে আধুনিক উপায়৷''

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়