1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

দক্ষিণ চীন সাগরে এবার চীনের যুদ্ধবিমান?

দক্ষিণ চীন সাগরে আবার উত্তেজনা৷ এবারের উত্তেজনার কারণ উডি আইল্যান্ডে চীনের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের খবর৷ এ খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে চীনের প্রতি সে অঞ্চলকে সামরিকীকরণ না করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র৷

যুক্তরাষ্ট্রের দুজন সামরিক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরের উডি আইল্যান্ডে চীন দুটি (শেনিয়াং জে-১১ এবং জিয়ান জেএইচ-৭) যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগ বিমানগুলোর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে বলেও খবরে দাবি করা হয়৷

দক্ষিণ চীন সাগরের পারাসেল দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত উডি আইল্যান্ড নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই উত্তেজনা চলছে৷ সেখানে অবশ্য ১৯৯০-এর দশক থেকেই বিমান ঘাঁটি রয়েছে৷ তবে গত বছর চীন সেটিকে জে-১১ যুদ্ধবিমান অবতরণের উপযোগী করে তোলে৷

উডি আইল্যান্ডে চীনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন ড্যারিন জেমস৷ তবে তিনি এ-ও জানান, সেখানে চীনের যুদ্ধবিমান অবতরণ নতুন কোনো ঘটনা নয়, চীনের যু্দ্ধবিমান আগেও সেখানকার বিমানঘাঁটি ব্যবহার করেছে৷ তবে অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস বলেছেন, এই বিমান মোতায়েনের ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে চীন দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে৷

এক সপ্তাহ আগে দক্ষিণ চীন সাগরে ভূমি থেকে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও মোতায়েন করে চীন৷ ওয়াশিংটন ভিত্তিক সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ' একটি স্যাটেলাইট ভিডিও প্রকাশ করেছে৷ সেখানে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতি স্পষ্ট ধরা পড়েছে৷

চীনও ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করেছে৷ চীনের দাবি, দক্ষিণ চীন সাগরের ওই অঞ্চলটি তাদের, সুতরাং সেখানে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র থাকাও স্বাভাবিক৷

যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সাম্প্রতিক তৎপরতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে৷ ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ি-কেও এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি৷ দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগের বাইরে গিয়ে চীন, ভিয়েতনাম বা বিবদমান অন্য কোনো দেশ যেন কোনো আগ্রাসী পদক্ষেপ না নেয় সে বিষয়ে সতর্কও করে দেন তিনি৷

জবাবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, চীন কোনো আগ্রাসনের পথ অবলম্বন করবেনা৷

চীন প্রায় সম্পূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলকেই নিজেদের বলে দাবি করে আসছে৷ অন্যদিকে ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, ফিলিপিন্স আর তাইওয়ানও ওই অঞ্চলের কিছু অংশকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশই মনে করে৷

এসিবি/জেডএইচ (রয়টার্স, এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন