1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

দক্ষিণ আফ্রিকায় ফুটবল এখনো কৃষ্ণাঙ্গদেরই খেলা

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অভিশাপ ঘুচিয়ে জাতীয় চেতনা গড়ে তুলতে নেলসন ম্যান্ডেলা রাগবি'কে হাতিয়ার করেছিলেন৷ কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গরা রাগবি'কে আপন করলেও ফুটবল সম্পর্কে শ্বেতাঙ্গদের আগ্রহ আজও সীমিত৷

default

সব শ্রেণীর কাছে ফুটবল সম্পর্কে আগ্রহ ছড়িয়ে দিতে বিশ্বকাপ হয়তো সহায়ক হতে পারে

বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য প্রস্তুত দক্ষিণ আফ্রিকা৷ আফ্রিকা মহাদেশের মাটিতে এই প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে৷ ফলে বিপুল উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে৷ স্টেডিয়ামে বসে বিশ্বমানের ফুটবল দেখার রোমাঞ্চই আলাদা৷ কিন্তু দর্শকদের আসনে কৃষ্ণাঙ্গদের আধিক্যই বেশি৷ ‘অ্যাপারথাইড' বা বর্ণবৈষম্য ব্যবস্থার অবসানের প্রায় ১৬ বছর পরেও ফুটবল এখনো যেন শুধু কৃষ্ণাঙ্গদেরই পছন্দের খেলা রয়ে গেছে৷

Flash-Galerie 20. Jubiläum der Freilassung Nelson Mandelas

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অভিশাপ ঘুচিয়ে জাতীয় চেতনা গড়ে তুলতে নেলসন ম্যান্ডেলা রাগবি'কে কীভাবে হাতিয়ার করেছিলেন, ‘ইনভিক্টাস’ ছবিতে সেই ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়া সাংবাদিক জো লাতাকগোমো দেশের ফুটবলের ইতিহাস নিয়ে একটি বই লিখেছেন৷ তিনি মনে করেন, বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ফুটবল সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা বেড়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু শ্বেতাঙ্গ পরিবারের সন্তানদের এখনো ফুটবল খেলতে উৎসাহ দেওয়া হয় না৷ জাতীয় দলে ম্যাথিউ বুথ'এর মত হাতে গোনা কয়েকজন শ্বেতাঙ্গ ফুটবলার রয়েছেন৷ বুথ'এর মতে, দেশে ফুটবল সমর্থকদের একটা নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে৷

অথচ দক্ষিণ আফ্রিকায় চিরকাল এমনটা ছিল না৷ ১৯৬০-এর দশকে কেপ টাউনের ‘সিটি ফুটবল ক্লাব' ও ‘হেলেনিক' ক্লাবের হাজার হাজার শ্বেতাঙ্গ সমর্থক ছিল৷ ডার্বান শহরের সেরা ফুটবল খেলোয়াড়রা ছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত৷ বর্তমানে ফুটবল জগতে মূলত কৃষ্ণাঙ্গদেরই আধিপত্য দেখা যায়৷ অ্যাপারথাইড জমানায় সরকারই ফুটবলকে কৃষ্ণাঙ্গদের বসতির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রেখেছিল৷ শ্বেতাঙ্গরা তখন থেকেই রাগবি ও ক্রিকেট নিয়ে মেতে রয়েছেন৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন
সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়