1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

থ্রিডি প্রিন্টারে সাবেকি গয়নার নতুন রূপ

থ্রিডি প্রিন্টার ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, সাধারণ মানুষের নাগালেও চলে আসছে৷ জার্মানির এক শিল্পী ঐতিহাসিক গয়নার প্রেরণার ভিত্তিতে বর্তমান যুগের উপযোগী ডিজাইনে এমন সৃষ্টিকর্মে মেতে উঠেছেন৷

থ্রিডি প্রিন্টার জোরকদমে চলছে৷ এবার তাকে একটি গয়না প্রিন্ট করতে দেওয়া হয়েছে৷ ঘণ্টাতিনেক পর গয়না প্রস্তুত হয়ে গেলে সেটি জার্মান শিল্পী সিলভিয়া ভাইডেনবাখের সংগ্রহে স্থান পাবে৷ তাঁর সৃষ্টিকর্ম আসলে চারিপাশের পরিবেশের প্রতিফলন৷ কখনো তা সামুদ্রিক কোরাল হতে পারে, কখনো বা ক্যালেডোস্কোপ৷ ভাইডেনবাখ জার্মানির দক্ষিণে সোনা ও রুপোর গয়না তৈরির কাজ শিখেছেন৷ কয়েক বছর আগে পর্যন্তও তিনি চিরায়ত পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট কিছু বস্তু তৈরি করতেন৷ তিনি বলেন, ‘‘রুপোর গয়না তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়ে শুরু করেছিলাম৷ মৌলিক চিরায়ত সাজসরঞ্জাম নিয়ে কাজ করতে শিখেছিলাম৷ মাথায় যে আইডিয়া রয়েছে, তা প্রথমে কাগজে এঁকে তারপর তার রূপান্তর ঘটানোর শিক্ষা নিয়েছিলাম৷''

তিনি ‘হ্যাপটিক আর্ম' নিয়ে কথা বলছেন, যা আসলে এক ডিজিটাল টুল৷ সেটি দিয়ে কম্পিউটারে ভার্চুয়াল বস্তুর মধ্যে রদবদল ঘটানো যায়৷ মাটির তাল থেকে মূর্তি তৈরির জন্য যে টুল ব্যবহার করা হয়, এটা অনেকটা তার মতো৷ সিলভিয়া ভাইডেনবাখ বলেন, ‘‘এখানে আমি বস্তুটির জন্য মাটির তালের পরিমাণ টের পাই৷ আমি আরও উপকরণ যোগ করতে পারি, বাদ দিতে পারি, কতটা নরম বা শক্ত হবে – তা স্থির করতে পারি৷''

ভিডিও দেখুন 04:17

থ্রিডি প্রিন্টারে সাবেকি গয়নার নতুন রূপ

ভাইডেনবাখ বর্তমানে লন্ডন শহরে ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট মিউজিয়ামে আর্টিস্ট-ইন-রেসিডেন্স হিসেবে কাজ করছেন৷ আগামী নভেম্বর মাসে ‘গয়নার বাক্স' নামে তাঁর এক থ্রিডি সৃষ্টিকর্ম জিলবার্ট কালেকশন অফ ডেকোরিটিভ আর্টস-এ প্রদর্শিত হবে৷ মিউজিয়ামের প্রতিনিধি শার্লট জনসন বলেন, ‘‘সিলভিয়া যে সংবেদনশীলতার সঙ্গে ঐতিহাসিক উপকরণ নিয়ে কাজ করেন, সে কারণে আমরা তাঁকেই বেছে নিয়েছি৷ তবে তিনি ‘হিস্টোরিসিস্ট' নন৷ তিনি আসলে ইতিহাস থেকে প্রেরণা নিয়ে দারুণ সব নতুন সৃষ্টি করতে পারেন৷''

সিলভিয়া ভাইডেনবাখ নিজে বলেন, ‘‘অতীতের সৃষ্টি আমার কাছে এটা বিশাল প্রেরণা৷ চিনামাটির মতো উপকরণের ক্ষেত্রে নিখুঁত কাজ, উপকরণের প্রয়োগ এবং কিছুটা প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সত্যি বিস্ময়কর৷ আমি এমন অনেক দৃষ্টান্ত দেখতে পাই৷

এর মধ্যে অনেক ফ্যাশন কোম্পানিও তাদের পণ্য তৈরি করতে থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করতে শুরু করেছে৷ এমনকি প্রিন্টারে জুতোও তৈরি হচ্ছে৷ যেমন নেদারল্যান্ডস-এর ডিজাইনার ইরিস ফান হ্যারপেন স্থপতি রেম কোলহাস-এর সঙ্গে মিলে একজোড়া থ্রিডি বুটজুতো সহ এক শিল্প সৃষ্টি করেছেন৷

স্টুডিওয় ফিরে ভাইডেনবাখ আরেকটি বস্তু প্রিন্ট করতে দিচ্ছেন৷ অবশ্যই এই সব প্রযুক্তি আপডটেড সফটওয়্যার ও শক্তিশালী ইন্টারনেট সংযোগের উপর নির্ভর করে৷ এর মধ্যে একটিতে গোলমাল হলেই গোটা প্রক্রিয়া বানচাল হয়ে যায়৷ প্রায় তিন ঘণ্টা পর ব্রেসলেট বা হাতের বালার প্রোটোটাইপ প্রস্তুত৷ সিলভিয়া বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, থ্রিডি প্রিন্টিং সম্পর্কে প্রাথমিক বিস্ময় কেটে গেছে৷ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই প্রযুক্তি রয়েছে৷ গত ১০ বছর ধরে আমরা তার নাগাল পাচ্ছি৷ বর্তমানে উপকরণের ব্যবহার, আরও সূক্ষ্ম কাজ, বিভিন্ন উপকরণের সমন্বয় দেখার মতো৷ ধাতু প্রিন্টিং নিয়েও আমার আগ্রহ রয়েছে, যা খুবই বিরল হতে পারে৷''

থ্রিডি পদ্ধতিতে তৈরি গয়নার মাধ্যমে ভাইডেনবাখ বর্তমান যুগের চেতনা তুলে ধরছেন৷

মেগিন লেই/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়