থাইল্যান্ডে অভ্যুত্থানের পর সমঝোতার উদ্যোগ | বিশ্ব | DW | 23.05.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

থাইল্যান্ডে অভ্যুত্থানের পর সমঝোতার উদ্যোগ

রাজনীতিবিদসহ ১৫৫ জনকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন থাই সেনাপ্রধান৷ এর আগে সংবিধান স্থগিত করে রাজনীতিবিদদের দেশের বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়৷ অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ, ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া৷

default

জেনারেলদের সঙ্গে প্রায়ুথ চান-ওচা

মঙ্গলবার সামরিক আইন জারির পর থেকে রাজনৈতিক অচলাবস্থা দূর করে দেশে শান্তি ফেরানোর আশ্বাস দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনজীবনে নিয়ন্ত্রণ আরোপ শুরু করে থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী৷ ১৪টি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করার পাশাপাশি সংবাদ এবং বেতার মাধ্যমের ওপরও আরোপিত হয় বিধিনিষেধ৷ বৃহস্পতিবার সংবিধান এবং ক্যাবিনেট স্থগিত ঘোষণা করা হয়৷ নৈশ আইন জারি করে ঘরের বাইরে পাঁচজনের বেশি মানুষের সমাবেশকেও করা হয় নিষিদ্ধ৷ পাশাপাশি আসে প্রায়ুথ চান-ওচার ক্ষমতা দখলের ঘোষণা৷

Thailand Militärputsch Yingluck Shinawatra fährt zum Armeechef Prayuth Chan-Ocha

সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা প্রায়ুথ চান-ওচা-র সঙ্গে আলোচনার পথে

আট বছরে দ্বিতীয়বারের মতো সামরিক শাসন এলো থাইল্যান্ডে৷ প্রায়ুথ চান-ওচার এই অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র৷ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি রক্তপাতহীন এ অভ্যুত্থানকে ‘অযৌক্তিক' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন৷ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়াও সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা জানিয়েছে৷

এদিকে সামরিক আইন বলবৎ রেখেই রাজনীতিতে ইংলাক সিনাওয়াত্রার দল এবং বিরোধীদের মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রায়ুথ চান-ওচা৷ দু'পক্ষের প্রথম সারির নেতা এবং দেশের বিভিন্ন পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ মোট ১৫৫ জনকে ব্যাংককের সামরিক বাহিনীর ব্যারাকে আলোচনায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়৷ সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা এ আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন৷

দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় রাস্তায় চলছে সেনা টহল৷ সাংবিধানিক আদালত ইংলাককে ক্ষমতাচ্যুত করার পরই তাঁর সমর্থকরা নেমে এসেছিল রাস্তায়৷ এখনো যেসব স্থানে ইংলাক সমর্থকরা অবস্থান করছে সেসব স্থানে সেনাটহল জোরদার করা হয়েছে৷

এসিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন