1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

তুর্কি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের আশ্রয় দিল জার্মানি

জার্মানির কয়েকটি গণমাধ্যম বলছে, দেশটিতে থাকা ন্যাটোর বিভিন্ন ঘাঁটিতে কর্মরত তুরস্কের সামরিক বাহিনীর সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জার্মানিতে আশ্রয়ের আবেদন প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে৷

জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বলেও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে৷

জার্মানির দুটি রাজ্যের সরকারি প্রচারমাধ্যম ডাব্লিউডিআর ও এনডিআর এবং দৈনিক স্যুডডয়চে সাইটুং পত্রিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলছে, তুর্কি সেনাসদস্য, কূটনীতিক, বিচারক ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ৪১৪টি আশ্রয়ের আবেদন এসেছে৷ এই সংখ্যার মধ্যে পরিবারের সদস্যরাও আছেন৷ ৪১৪ জনের মধ্যে ২৬২ জন আবেদনকারীর কূটনীতিক পাসপোর্ট বলেও জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ তবে আবেদনগুলোর মধ্যে কতগুলো সামরিক বাহিনীর সদস্যদের, সেটি নির্দিষ্ট করে বলেনি মন্ত্রণালয়৷

আবেদনগুলোর মধ্যে কতগুলো গ্রহণ করা হয়েছে, সেটি প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়নি৷ তাছাড়া আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করে যে সরকারি সংস্থা, সেই ‘ফেডারেল অফিস ফর মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজিস' বা বিএএমএফ-এরও সরাসরি কোনো মন্তব্য নেই সেখানে৷

তবে সংস্থাটির বিভিন্ন সূত্র উল্লেখ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম বেশ কয়েকটি আশ্রয় আবেদন অনুমোদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে৷

গণমাধ্যমের তথ্য সত্য হলে বিষয়টি তুর্কি-জার্মান সম্পর্ককে আরও সংকটে ফেলতে পারে, কারণ, গত জানুয়ারিতে তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফিকরি ইসিক তুর্কি কর্মকর্তাদের আশ্রয়ের আবেদন অনুমোদন না করতে জার্মানির প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন৷ তুর্কি সরকার মনে করে, এই কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফেতুল্লাহ গ্যুলেনের সমর্থক এবং তাঁরা গত বছরের জুলাইতে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন৷ উল্লেখ্য, এই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পেছনে গ্যুলেনকে দায়ী করে তুর্কি সরকার৷ তবে গ্যুলেন ও তাঁর সমর্থকরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷

ঐ ঘটনার পর তুর্কি সরকার হাজার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছে৷ শুধু গত সপ্তাহেই একশ' জন বিচারক ও আইনজীবীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে৷ তার আগের সপ্তাহান্তে প্রায় চার হাজার জনকে চাকরি থেকে অব্যহতি দেয়া হয়৷ এর আগে এপ্রিলের ২৬ তারিখ প্রায় নয় হাজার একশ' জন পুলিশকে বরখাস্ত করা হয়৷

তুর্কি-জার্মান সংকট

গত মাসে তুরস্কে অনুষ্ঠিত গণভোটের আগে দুই দেশের সম্পর্কে সংকট শুরু হয়৷ ঐ গণভোট নিয়ে জার্মানিতে বসবাসরত তুর্কিদের মধ্যে প্রচারণা চালাতে তুর্কি মন্ত্রীদের জার্মানি সফর নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছিল৷ এরপর জার্মান-তুর্কি সাংবাদিক ডেনিস ইউচেলকে সন্ত্রাসের অভিযোগে তুরস্কে গ্রেপ্তারের বিষয়টিরও সমালোচনা করে জার্মানি৷ইউচেল জার্মানির দৈনিক ‘ডি ভেল্ট'-এ কর্মরত ছিলেন৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন, ইউচেলের সঙ্গে যে ব্যবহার করা হচ্ছে তা ‘সাংবিধানিক রাষ্ট্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়৷'

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ, কেএনএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়