1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

তুর্কমেনিস্তানে সিগারেট বেচা বন্ধ হলো

তুর্কমেনিস্তান কর্তৃপক্ষ দোকানিদের সিগারেট বেচা বন্ধ করতে বাধ্য করছেন, বলে জানিয়েছেন আশগাবাতের দোকানিরা৷ প্রেসিডেন্ট গুর্বাঙ্গুলি বের্দিমুখামেদভ দেশবাসীদের ধূমপান ছাড়তে বলেছেন৷

মাদক প্রতিরোধী কর্মকর্তারা দৃশ্যত দোকানে দোকানে ঢুকে দোকানিদের তাক থেকে সিগারেটের প্যাকেট সরাতে বলছেন – নয়ত বিপুল ফাইন হবে বলে ভয় দেখাচ্ছেন৷ প্রেসিডেন্ট বের্দিমুখামেদভ গত ৫ই জানুয়ারি একটি সরকারি বৈঠকে দেশের ধূমপান প্রতিরোধ নীতির সমালোচনা করেন৷ বৈঠকটি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়৷

বের্দিমুখামেদভ নিজে আগে দাঁতের ডাক্তার ছিলেন৷ তুর্কমেনিস্তানের সরকারি মাদক প্রতিরোধী সংস্থার নাম হল ‘স্বাস্থ্যবান সমাজের নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রীয় পরিষেবা'৷ বের্দিমুখামেদভ এই সংস্থার কাছ থেকে ‘‘ধূমপান দূরীকরণের জন্য ব্যাপক পদক্ষেপ'' দাবি করেছেন৷

সে'যাবৎ দোকানিরা লুকিয়ে-চুরিয়ে নিয়মিত খদ্দের আর বন্ধুবান্ধবের কাছে সিগারেট বিক্রি করছেন, খোলাখুলিভাবে নয়৷ অথচ সিগারেট বিক্রির ওপর কোনো সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি৷ তবুও এই অলিখিত ও অবিজ্ঞপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ফাইন নাকি প্রায় দশ মাসের মাইনের সমান – বলছেন দোকানিরা৷

এর একটি ফল হয়েছে এই যে, এক প্যাকেট চোরাই সিগারেটের দাম ২৫ মানাট থেকে বেড়ে ৫০ মানাট, অর্থাৎ ১৪ ডলারের বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ দাম বেশি হওয়ায়, খোলা বা খুচরো সিগারেটের দাম বাড়ছে –আপাতত সিগারেট প্রতি দুই মানাট, জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা৷

বের্দিমুখামেদভ ২০০৬ সাল যাবৎ তুর্কমেনিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধান৷ তিনি ইতিপূর্বেও ধূমপান বিরোধী অভিযান চালিয়েছেন৷ কারণ যাই হোক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠনের বিবৃতি অনুযায়ী বিশ্বের সব দেশের মধ্যে তুর্কমেনিস্তানেই আজ ধূমপায়ীদের অনুপাত সবচেয়ে কম – মাত্র আট শতাংশ৷

বের্দিমুখামেদভের আগে দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন সাপারমুরাত নিয়াজভ, যিনি ছিলেন চেন স্মোকার৷ হার্ট সার্জারির পর ২০০০ সালে স্মোকিং ছাড়েন নিয়াজভ, পরে একটি ধূমপান প্রতিরোধী অনুশাসনেও স্বাক্ষর করেছিলেন৷ ধীরে ধীরে আরো কড়া বিধিনিষেধ এসেছে৷ ২০১১ সালে তামাকের উপর শুল্ক বাড়ানো হয়; ২০১৩ সালে প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়৷

ফলে প্রাক্তন সোভিয়েত রাজ্যগুলির মধ্যে তুর্কমেনিস্তানেই আজ সিগারেটের দাম সবচেয়ে বেশি৷ সেটা তাদের সৌভাগ্য না দুর্ভাগ্য, সেটা তুর্কমেনিরাই বলতে পারবেন৷

এসি/ডিজি (এএফপি)

বাংলাদেশ এমন ধূমপান বিরোধী অভিযানের কি প্রয়োজন আছে? জানান নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন