1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

তুরস্কে বাধ্যতামূলক ‘ইসলাম ক্লাস’ মানবাধিকার পরিপন্থি

তুরস্কের সব মুসলমান ছাত্রছাত্রীর ধর্মক্লাসে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক, তারা শিয়া, সুন্নি, আলোওয়াইট – যে সম্প্রদায়ের অনুসারীই হোক না কেন৷ স্ট্রাসবুর্গের বিচারকরা একে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে রায় দিয়েছে৷

স্ট্রাসবুর্গের ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তুরস্কের স্কুলগুলিতে ধর্মক্লাসের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় বিশ্বাসে সম্মান দেখানো হয় না সেখানে৷ স্কুলের পাঠ্যসূচিতে ইউরোপীয় কনভেনশন অনুযায়ী চিন্তার অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হচ্ছে৷

স্কুলগুলিতে সাধারণত সুন্নি সম্প্রদায়ের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী ধর্মক্লাস করানো হয়৷ এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে তুরস্কের আলোওয়াইট সম্প্রদায়ের কয়েকজন৷ ২০০৫ সালে তুরস্ক সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছিল আলোওয়াইটদের দর্শন ও সংস্কৃতি পাঠ্যসূচিতে গ্রহণ করতে৷ সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে৷

Europäischer Gerichtshof für Menschenrechte Straßburg

স্ট্রাসবুর্গে অবস্থিত ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত

এই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগকারীরা ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতে মামলা দায়ের করে৷ অভিযোগে বলা হয়, সুন্নি প্রভাবিত ইসলামক্লাস তাদের সন্তানদের মূল্যবোধের সংকটে ফেলছে৷ আদালত তাদের পক্ষে রায় দেয় এবং নির্দেশ দেয়, ছাত্রছাত্রীরা চাইলে ধর্ম ও নীতিশাস্ত্র ক্লাস করা থেকে অব্যহতি পাবে এবং এ জন্য তাদের মা-বাবার ধর্মবিশ্বাস প্রকাশ করার প্রয়োজন হবে না৷

রাষ্ট্রের ধর্মসংক্রান্ত নীতিমালার ব্যাপারে নিরপেক্ষ থাকা উচিত৷ বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, শুধু ইহুদি ও খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের ধর্মক্লাসে অংশ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়৷

তুরস্ক তিন মাসের মধ্যে স্ট্রাসবুর্গের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে৷ এই আপিল প্রত্যাখ্যাত হলে আদালতের নির্দেশকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে৷

আরবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন