তুরস্কে কয়লা খনি বিস্ফোরণ, নিহত দুই শতাধিক | বিশ্ব | DW | 14.05.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

তুরস্কে কয়লা খনি বিস্ফোরণ, নিহত দুই শতাধিক

তুরস্কে এক কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে৷ এ পর্যন্ত ২০১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে৷ ৩৬৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে৷ খনিতে কর্মরত ৭৮৭ জনের মধ্যে বাকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে৷

তবে তুরস্কের জ্বালানি মন্ত্রী তানের ইলদিজ জানান, খনিতে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে৷ মানিসা রাজ্যের একটি কয়লা খনিতে মঙ্গলবার এ দুর্ঘটনা ঘটে৷

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ‘‘মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলেই আমরা আশঙ্কা করছি৷ আর এটাও বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের আশা ক্রমশই ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে৷’’ খনিতে আগুন জ্বলতে থাকা এবং বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড ছড়িয়ে পড়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা বিঘ্নিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ একটি ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ট্র্যান্সফর্মারের কারণে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ তুরস্কের কোনো খনিতে এর আগে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি৷

ইস্তানবুলের ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণের এই খনির কাছে এখন হাজার মানুষের ভিড়৷

সবাই চরম উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছেন৷ প্রিয়জনদের দেখা না পাওয়ায় কাঁদছেন অনেকে৷ সেনা ইসবিলার তাঁর সন্তানের জন্য কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, ‘‘দুপুর থেকে আমি আমার ছেলেকে দেখার অপেক্ষায় আছি৷ অথচ এখনো ওর ব্যাপারে কিছু জানতে পারিনি৷’’

আরুম উনজার সোমা শহরের এই কয়লা খনিরই কর্মী৷ আটকে পড়া সহকর্মীদের জন্য তিনিও উৎকণ্ঠিত৷ তিনি বলছিলেন, ‘‘দুর্ঘটনার শিকার সকলেই আমার বন্ধু৷ আমরা একটা পরিবার৷ পরিবারটা আজ তছনছ হয়ে গেল৷ ওদের ব্যাপারে খুব কম খবরই পাচ্ছি৷ যা পাচ্ছি সবই খারাপ খবর৷’’

মঙ্গলবার সোমার এই খনিতে মোট ৭৮৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন৷ এ পর্যন্ত যাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তাঁদের মধ্যে অন্তত চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷

এসিবি/ডিজি (এপি, রয়টার্স, ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন