1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

তুরস্কের সম্মতিতে ন্যাটো-ইসরায়েল সম্পর্কের নতুন মাত্রা

তুরস্কের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে না হতেই ন্যাটো-ইসরায়েল সহযোগিতা আরও জোরালো হয়ে উঠলো৷ এদিকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি চুক্তি হলে বিশাল সহযোগিতা দেবে ইইউ৷

সামরিক জোট ন্যাটো-র সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা পেল৷ ব্রাসেলস-এ ন্যাটোর সদর দপ্তরে সে দেশ একটি দূতাবাস খুলতে চলেছে৷ চরমপন্থি হিংসার মোকাবিলায় দুই পক্ষের সহযোগিতা বাড়ানো হবে৷ এই উদ্যোগ আসলে বেশ কয়েক বছর আগেই শুরু হয়েছিল৷ তবে ন্যাটোর অন্যতম সদস্য তুরস্কের আপত্তিতে এতকাল সেই প্রক্রিয়া স্থগিত ছিল৷ গত কয়েক বছরের উত্তেজনার পর এবার তুরস্কের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক ধীরে ধীরে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে উঠছে৷

মঙ্গলবার ন্যাটো-র সদর দপ্তরে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট রুভেন রিভলিন-এর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ন্যাটো-র মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে ইসরায়েল ন্যাটো-র জোটসঙ্গী হিসেবে সক্রিয় রয়েছে৷ এবার সেই সহযোগিতা আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে৷ তাঁর মতে, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে বেড়ে চলা হিংসা সব দেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে৷ তাই যে সব দেশের সাধারণ মূল্যবোধ রয়েছে, তাদের একযোগে ঘৃণা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো উচিত৷

ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট রিভলিন বলেন, ন্যাটো সদর দপ্তরে ইসরায়েলের মিশন সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক আরও জোরালো করতে সাহায্য করবে৷ তাঁর মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ঘৃণার বাতাস অভূতপূর্ব মাত্রা ছুঁয়েছে৷ এই অঞ্চলের ঘটনাবলির প্রভাব গোটা বিশ্বের উপর পড়ছে৷

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ইসরায়েলি কমান্ডো বাহিনী তুরস্কের একটি জাহাজের উপর হামলা চালানোর পর তুরস্কের সঙ্গে সে দেশের সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে৷ সেই হামলায় তুরস্কের ১০ জন অক্টিভিস্ট নিহত হন৷ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক করতে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে আলোচনা শুরু হয়৷ ইসরায়েল শেষ পর্যন্ত তুরস্কের দু'টি পূর্বশর্ত মেনে নিয়ে সেই হামলার জন্য ক্ষমা চেয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে৷ তবে গাজার উপর ইসরায়েলের অবরোধ তুলে নেবার দাবি মেনে নিতে এখনো প্রস্তুত নয় ইসরায়েল৷ তা সত্ত্বেও আগামী রবিবার তুরস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাভাবিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছে৷

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া তরান্বিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশাল সহায়তার ঘোষণা করেছে৷ ইউরোপীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট রুভেন রিভলিনকে বলেন, ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ইইউ দুই পক্ষের জন্য অভূতপূর্ব মাত্রায় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহায়তা ঘোষণা করবে৷

এসবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন