1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইউরোপ

তুরস্কের সঙ্গে বন্ধুত্ব পুনর্প্রতিষ্ঠায় আশাবাদী জার্মানি

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েলের সঙ্গে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যখন বৈঠক হচ্ছিল, তখন দুই দেশের সম্পর্ক শীতলই যাচ্ছিল৷ বৈঠকের পর গাব্রিয়েল দুই দেশের সম্পর্ক আবার ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন৷

তুরস্কের রাজনীতিবিদদের জার্মানির মাটিতে সভা-সমাবেশ করা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন চলছে৷ মোটের উপর সেদেশে জার্মানির একটি পত্রিকার সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের ঘটনা জার্মান সরকারকে আরো বিরক্ত করেছে৷ এদিকে, তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান জার্মানির বর্তমান অবস্থাকে তুলনা করেছেন নাৎসি জমানোর সঙ্গে৷ সবমিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক যে বড়ই শীতল তা আর বুঝতে কারো বাকি নেই৷

এরইমাঝে বুধবার জার্মানির রাজধানী বার্লিনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভল্যুট চাভুশোলুর সঙ্গে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে মিলিত হন সিগমার গাব্রিয়েল৷ বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ভালো সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ, কেননা, বর্তমানে নানা বিষয়ে অস্থিরতা চলছে৷ আমার তুর্কি সহকর্মী এবং আমি - উভয়েই দুই দেশের সম্পর্ককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে চাই৷''

তবে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটাও উল্লেখ করেছেন যে, কিছু ব্যাপারে মন্তব্যের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা আছে, যার লঙ্ঘন কাম্য নয়৷ উদাহরণ হিসেবে বর্তমান জার্মানিকে নাৎসি জমানার সঙ্গে তুলনার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি৷

ভিডিও দেখুন 02:44

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও সাংবাদিকদের কাছে একথা স্বীকার করেন যে, জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করে আসলে কোনো লাভ নেই৷ তবে তিনি বলেন, ‘‘তুরস্ক বন্ধু, না অন্য কিছু তা জার্মানিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷''

তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল যে জার্মান গণমাধ্যমের উপর ক্ষিপ্ত তা-ও বোঝা গেল সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে৷ তিনি মনে করেন, জার্মান গণমাধ্যম তুরস্কের বিরুদ্ধে ‘ব্ল্যাক প্রোপাগান্ডা' করছে, যা বন্ধ করতে হবে৷ পাশাপাশি জার্মানিতে এক ধরনের ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব রয়েছে বলেও মনে করেন চাভুশোলু৷

উল্লেখ্য, তুরস্কে এক বিতর্কিত গণভোটের আগে জার্মানিতে অবস্থানরত সে দেশের প্রায় পনের লাখ ভোটারকে দলে টানতে জার্মানির বিভিন্ন শহরে সভা-সমাবেশের চেষ্টা করছেন তুর্কি রাজনীতিবিদরা৷ তবে ইতোমধ্যে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে চারটি সভা বাতিল করেছে জার্মানির বিভিন্ন শহরের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, গণভোটের মাধ্যমে কার্যত সে দেশের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা আরো বাড়াতে চাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল যা দেশটিকে একনায়কতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাবে৷

এআই/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়