1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ জানালো জার্মানি

তুরস্কে এক জার্মান নাগরিকসহ ছয়জন মানবাধিকার কর্মীকে আটক রাখার আদেশের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে জার্মানি৷ বার্লিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তুর্কি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে নিয়ে এ প্রতিবাদ ও আটক ছয় জনের মুক্তির দাবি জানানো হয়৷

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, ছয় মানবাধিকার কর্মীকে বিচার শুরুর আগে আটক রাখার আদেশে জার্মানি ক্ষুব্ধ৷ বুধবার সন্ত্রাসে ইন্ধন জোগানোর অভিযোগে মানবাধিকার কর্মীদের বিরুদ্ধে তুরস্কের আদালত এ আদেশ দেয়৷

তুর্কি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও অবিলম্বে মানবাধিকার কর্মীদের মুক্তির দাবি জানানো প্রসঙ্গে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মার্টিন শেফার বলেন, ‘‘তুরস্ক সরকারের অনতিবিলম্বে এবং সরাসরি জার্মান সরকারের ক্ষোভ এবং অনড় অবস্থান সম্পর্কে শোনা দরকার৷ এবং পেটার স্টয়েড্টনারের বিষয়ে আমাদের অতি স্বচ্ছ প্রত্যাশা সম্পর্কেও তাদের স্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার৷'' শেফার জানান,  স্টয়েড্টনারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিতে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল গ্রীষ্মকালীন ছুটির মাঝেই বার্লিনে ফিরে এসেছেন৷

ভিডিও দেখুন 04:21

গত ৫ জুলাই ইস্তান্বুলের অদূরের বুয়িউকাডা দ্বীপের এক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১০ জন মানবাধিকারকর্মীকে আটক করে তুরস্কের পুলিশ৷ আটকদের মধ্যে তুরস্কের অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক ইদিল এসার, জার্মানির মানবাধিকার প্রশিক্ষক পেটার স্টয়েড্টনার ও এক সুইডিশ নাগরিকও রয়েছেন৷ পুলিশের দাবি, মানবাধিকার কর্মীরা একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনকে মদত দেয়ার কাজে জড়িত৷ বুধবার আটক দশ জনের মধ্যে চারজনকে মুক্তি দিলেও বাকি ছ'জনকে বিচার শুরুর আগ পর্যন্ত আটক রাখার আদেশ দেয় আদালত৷ তুরস্কের আইন অনুযায়ী, বিচার শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত পাঁচ বছর পর্যন্ত আটক রাখা যায়৷

ক্ষুব্ধ ম্যার্কেল

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানোর আগে আঙ্গেলা ম্যার্কেলও স্টয়েড্টনারসহ ছয় মানবাধিকার কর্মীর আটকাদেশ সম্পর্কে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান৷ মানবাধিকার প্রশিক্ষক স্টয়েড্টনারসহ ওই ছ'জনকে সন্ত্রাসে মদত দেয়ার অভিযোগে বিচারকাজ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত আটক রাখার বিষয়ে জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, ‘‘এটা ভারি অন্যায়৷ আমরা তাঁর (স্টয়েড্টনার) এবং আটক অন্যদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছি৷ তাঁকে মুক্ত করার জন্য যা যা প্রয়োজন তার সবই করবে জার্মান সরকার৷''

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন