1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

তুরস্কের মতলব নিয়ে জল্পনা-কল্পনা

আইএস-এর বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবশেষে যোগ দিয়েছে তুরস্ক৷ তবে রেহাই পাচ্ছে না কুর্দি বিদ্রোহীরাও৷ এই অবস্থায় আঞ্চলিক ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়েছে বলে অনেকে মনে করছেন৷ সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়াও উত্তাল৷

তুরস্ক আসরে নামার আগে পরিস্থিতি যথেষ্ট জটিল ছিল৷ ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-এর নিয়ন্ত্রণে৷ কোণঠাসা আসাদ প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে লড়ছে৷ লড়ছে কুর্দিরাও৷ আবার আইএস এবং আসাদ বিদ্রোহী গোষ্ঠীও তৎপর৷ আল কায়েদার ঘনিষ্ঠ আল নুসরা ফ্রন্টের দখলে রয়েছে কিছু এলাকা৷ এবার তুরস্ক একইসঙ্গে আইএস ও কুর্দিদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালানোয় আখেরে কার লাভ হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ গোটা অঞ্চলে ক্ষমতা বণ্টনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে একটি মানচিত্রে, যেটি শেয়ার করেছেন অনেক টুইটার ব্যবহারকারী৷

বর্তমান পরিস্থিতিতে কুর্দিদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে তুরস্ক নিজের পায়ে কুড়ুল মারছে বলে মনে করছে অনেক মহল৷ একটি ব্যঙ্গচিত্রে পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেটি শেয়ার করছেন অনেকে৷

পিটার ট্যাচেল মনে করেন, তুরস্ক সেই সব কুর্দিদের গ্রেপ্তার ও তাদের উপর বোমাবর্ষণ করছে, যারা আইসিস-এর বিরুদ্ধে সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছে৷ তুরস্ক আইসিস যোদ্ধাদের সীমান্ত পার হতে দিচ্ছে৷ ন্যাটো কিছুই বলছে বা করছে না!

জুলি লেনার্ৎস লিখেছেন, ‘‘তুরস্ক ও ন্যাটোর অগ্রাধিকার সম্পূর্ণ ভিন্ন৷ আমরা আইসিস-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই৷ তারা আইসিস-এর বিরুদ্ধে সংগ্রামের অজুহাত দেখিয়ে কুর্দিদের পরাস্ত করতে চায়৷''

আরেক জন লিখেছেন, ‘‘এর্দোয়ানকে ধন্যবাদ দিন৷ এখন আইসিস-কে আরও কম শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে৷''

সাগ্রোস কুদি নামের একজন মনে করেন, তুরস্ক ইরাকের উত্তরে পিকেকে-র বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে, কারণ তুরস্কের সরকার আইসিস-এর সঙ্গে সহযোগিতা গোপন রাখতে চায়৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়