1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

তিন অভিযুক্ত পাকিস্তানি খেলোয়াড় দেশে ফিরলেন শুক্রবার

দেশে ফিরলেন ম্যাচ গড়াপেটায় অভিযুক্ত তিন পাকিস্তানি ক্রিকেটার৷ আন্তর্জাতিক স্তরে ম্যাচ গড়াপেটা নিয়ে এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও দেশে এই তিনজনের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই৷ পুলিশ তাই তাদের বিরক্ত করবে না৷

default

ক্রিকেটার মোহাম্মদ আসিফ

ক্রিকেট দুনিয়ায় রীতিমত শোরগোল ফেলে দিয়েছে তিনটে নাম৷ সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ আর মোহাম্মদ আমীর৷ পাকিস্তান ক্রিকেটের এই তিন তরুণ খেলোয়াড় এই মুহূর্তে যথেষ্ট কলঙ্কিত খেলার মাঠে জুয়াড়িদের ঢোকানো এবং তাদের কাছে টাকা নেওয়ার অভিযোগে৷ গত বেশ কিছুদিন ধরেই এই তিনজনকে নিয়ে বহু আলোচনা সমালোচনা চলছে৷ ব্রিটিশ পুলিশের স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের গোয়েন্দারা জেরা শুরু করেছেন তিনজনকে৷ বেরিয়ে এসেছে এবং আসছে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য৷

তথ্য উপাত্ত ঘটনার ঘনঘটা যতই ঘটুক, পাকিস্তানের ক্রিকেট মহল কিন্তু এই অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের পাশে সবসময়েই রয়ে গেছে সেই প্রথম থেকে৷ যেমন শুক্রবার এই তিন ক্রিকেটার লন্ডন থেকে দেশে ফেরার সময়ে পাকিস্তানি ক্রিকেট বোর্ডের এক মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়ে দিলেন, দেশে ফেরার পর এই তিন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কোনরকম অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবেনা৷

Pakistan Cricket Manipulation

দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটাররা (ফাইল ফটো)

পাকিস্তানের পুলিশ ম্যাচ ফিক্সিং-এর অভিযোগে এদের বিরুদ্ধে কোনরকম মামলা এনেছে কিনা সাংবাদিকরা জানতে চান৷ তার উত্তরে ওই মুখপাত্র বলেন, তেমন তোন ঘটনাই ঘটেনি৷ এদের বিরুদ্ধে কোন মামলা দেশে নেই৷ সুতরাং পাকিস্তানের পুলিশ এদেরকে জেরা করার জন্য ডাকাডাকি করবে না বা কোনরকমের হয়রানির শিকার হবেন না এই তিন অভিযুক্ত৷ পাকিস্তানি ক্রিকেট বোর্ডের মুখপাত্রটি জানান, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সঙ্গেও সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছে এই তিন অভিযুক্ত৷

প্রথম তিন অভিযুক্ত ছাড়াও আরও ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িয়ে গেছে আরও এক ক্রিকেটারের নাম৷ টেস্ট ক্রিকেটে সদ্য খেলতে নামা ওয়াহাব রিয়াজকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাচ গড়াপেটার তদন্তের স্বার্থেই জেরা করবে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড৷ পাকিস্তানি ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান ইজাজ বাট জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে পুরোপুরি সহযোগিতা করবে তাঁর খেলোয়াড়রা৷

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন