1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

তারকাদের ‘যৌন পুনর্বাসন’: একটি নতুন শিল্প

গলফ তারকা টাইগার উডস’ও তা করিয়েছেন৷ সদ্য অস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী স্যান্ড্রা বুলকের স্বামী জেসে জেমস’ও তা করাচ্ছেন৷ যৌন আসক্তি সারাতে মোক্ষম দাবাই নাকি এই যৌন পুনর্বাসন৷

default

স্ত্রী এলিনের সঙ্গে টাইগার উডস (ফাইল ফটো)

গলফ খেলার সুপারস্টার টাইগার উডস-এর পারিবারিক সদগুণের পরাকাষ্ঠা বলে নাম ছিল৷ পরে দেখা গেল তিনি তাঁর সতীর্থ খেলোয়াড়, ম্যানেজার এবং সবচেয়ে বড় কথা, নিজের স্ত্রীর নাকের ডগাতেই নানা ধরণের মহিলার সঙ্গে পর্যায়ক্রমে ব্যভিচার করেছেন৷ পর্নো স্টার, ফ্যাশন মডেল, রেস্তরাঁর ওয়েট্রেস, বস্তুত যে কোনো সুন্দরী মহিলার সঙ্গেই দৈহিক সম্পর্কে তাঁর কোনো আপত্তি ছিল না৷

উডসের পরে জেমস

Ops, I did it again

ব্রিটনি স্পিয়ার্স: পুর্নবাসনের আগে না পরে?

বুধবার জানা গেল যে, স্যান্ড্রা বুলকের স্বামী জেসে জেমস'ও নাকি এ্যারিজোনার সিয়েরা টাকসন নামধারী একটি কেন্দ্রে ঢুকেছেন ঐ যৌন পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে৷ কাস্টম বা অর্ডার মতো মোটর বাইক তৈরী করা হল জেমসের পেশা৷ রিয়্যালিটি টিভি'তেও তাঁকে দেখা গেছে৷ বিগত পাঁচ বছর ধরে তাঁর আরো একটি পরিচয় হল যে, তিনি স্যান্ড্রা বুলকের স্বামী৷ এখন অন্তত চারজন মহিলা মুখ খুলে বলেছেন যে, তাঁদের জেমসে'র সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক ঘটেছিল৷ কিছু কিছু বিবরণে জেমসের সঙ্গিনীদের সংখ্যা এক ডজন বলেও জানানো হয়েছে৷

পুনর্বাসন কার? তারকার, না তার ইমেজের?

ব্যাভিচার এবং বিশ্বাসহীনতার খবর ফাঁস হবার পর উডস এবং জেমস, উভয়ে একই পন্থা নিয়েছেন: প্রকাশ্যে আন্তরিক ক্ষমাপ্রার্থনা এবং তার পরে রিহ্যাব ক্লিনিক বা পুনর্বাসন হাসপাতালে যাত্রা৷

তারকা পুনর্বাসনের ব্যাপারটা বস্তুত শুরু করেন প্রাক্তন মার্কিন ফার্স্ট লেডি বেটি ফোর্ড, সত্তরের দশকে৷ তিনি তাঁর এ্যালকহল এবং প্রেস্ক্রিপশন ড্রাগসের প্রতি আসক্তির কথা স্বীকার করেন এবং বেটি ফোর্ড সেন্টার নামধারী পুনর্বাসন কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেন৷ সেযাবৎ হলিউডের অনেক প্রথম সারির তারকা পুনর্বাসনে গিয়ে অন্তত তাঁদের ‘ইমেজ' বা ভাবমূর্তিটিকে বাঁচিয়েছেন৷ কেননা যেমন মার্কিন জনগণ, তেমনই মার্কিন

Sandra Bullock in Die Vorahnung

প্রিমোনিশন ছবিতে স্যান্ড্রা বুলক

আদালতগুলি অপরাধীর অনুতাপের সঙ্গে ঐ ক্লিনিক এবং ট্রিটমেন্টের কথা শুনলে খুশী হয়৷ কাজেই ‘প্রমিসেস' এবং ‘ওয়ান্ডারল্যান্ড সেন্টার' গোত্রীয় দিনে হাজার ডলার দামের পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলিতে ব্রিটনি স্পিয়ার্স, লিন্ডসে লোহান এবং রবার্ট ডাউনি জুনিয়ারের মতো তারকাদের অবাধ যাতায়াত৷ অবশ্য সকলেই কিছু যৌন আসক্তির জন্য নয়৷

অবশ্য এ-ধরণের কেন্দ্রগুলিতে ‘রোগীরা' এমনই আরামে থাকেন যে, তাকে পুনর্বাসন বলতেই অনেক সমালোচকের আপত্তি৷ অনেকে আবার যৌন আসক্তিকে আদৌ সুরা কিংবা মাদকের প্রতি আসক্তির সঙ্গে এক পর্যায়ে ফেলতে রাজি নন৷ - কিন্তু ‘ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল' একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে: ‘যৌন পুনর্বাসন কি পরবর্তী বৃহৎ শিল্প?'

প্রতিবেদক: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

সংশ্লিষ্ট বিষয়