1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

তাবেলা হত্যা রহস্যে বহু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি

ইটালির নাগরিক তাবেলা সিজার হত্যায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ চারজনকে আটক ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি উদ্ধারের দাবি করেছে৷ পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ‘‘আটকরা ভাড়াটে কিলার, তারা এক বড় ভাইয়ের নির্দেশে হত্যা করেছে৷''

অডিও শুনুন 02:04

মোটর সাইকেলের রঙের বিষয় নিয়ে ভাবছি না: মাহফুজুল ইসলাম

যাদেরকে আটক করা হয়েছে তারা হলো – সাখওয়াত হোসেন শরীফ, রাসেল চৌধুরী ওরফে চাক্কি রাসেল, মিনহাজুল আবেদীন রাসেল ওরফে ভাগ্নে রাসেল ও তামজীর আহমেদ রুবেল ওরফে শুটার রুবেল৷ এদের মধ্যে চাক্কি রাসেল, ভাগ্নে রাসেল ও রুবেল সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় বলে দাবি করছে পুলিশ৷ এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি শরীফ-এর বলে জানায় পুলিশ৷ তবে সংবাদ সম্মেলনে আটকদের কোনো কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি৷ এমনকি সাংবাদিকদেরও তাদের কোনো প্রশ্ন করতে দেয়া হয়নিয

পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া দাবি করেন, ‘‘সিসিটিভি-র ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে এই চারজনকে আটক এবং মটর সাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে৷'' তবে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে লাল মটর সাইকেল থাকলেও, উদ্ধা করা মটর বাইকটি লাল নয়, সিলভার রঙের৷

এদিকে আটকদের সোমবার সাংবাদিকদের সামনে আনা হলেও তাদের অন্তত একজনের পরিবার দাবি করেছে যে, তাকে আদতে ১০ থেকে ১১ দিন আগে আটক করা হয়৷ এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘‘এটা ঠিক নয়, আমরা তাদের গত রাতেই আটক করেছি৷''

পুলিশের দাবি, সিসিটিভি-র ফুটেজে যাদের দেখা গেছে আটকদের মধ্যে তাদের তিনজন আছে৷ তারা হলো, ‘‘চাক্কি রাসেল, ভাগ্নে রাসেল ও তামজীর আহমেদ রুবেল ওরফে শুটার রুবেল৷''

মামলার তদন্তকারীদের একজন গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মাহফুজুল ইসলাম ডয়চে ভেলের কাছে দাবি করেন, ‘‘এই তিনজনের চেহারা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের সঙ্গে বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি৷ এছাড়া আমরা তাদের আটক করেছি মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে৷ তাই তাদের আগে আটকের কথা ঠিক নয়৷ এরা পালিয়ে থাকায় তাদের পরিবারই হয়ত এ কথা ছড়িয়েছে৷''

মোটর সাইকেলের রঙের সঙ্গে মিল না পাওয়া যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, আটক মটর সাইকেলটিই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে৷ রঙের বিষয় নিয়ে ভাবছি না৷''

ওদিকে হত্যায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি অবশ্য এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ৷ এ ব্যাপারে মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমরা আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা করবো৷''

এ প্রসঙ্গে মানবাধিকার নেতা নূর খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আটক মটর সাইকেলটি আসলেই সিসিটিভিতে দেখা মটর সাইকেল কিনা – তা নিয়ে আরো তদন্ত হওয়া প্রয়োজন৷ এছাড়া যাদের আটক করা হয়েছে, তাদেরই সিসিটিভি-র ফুটেজে দেখা গেছে কিনা – সেটা নিশ্চিত করতে কয়েকটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ধাপ সম্পন্ন করতে হবে৷''

তিনি আরো বলেন, ‘‘এই মামলাটির তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে৷ তাছাড়া সব কিছু নিশ্চিত হতে তদন্তকারীদেরও আরো সময় দিতে হবে৷''

পুলিশ কমিশনার সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, ‘‘যারা ২০১৪ সালে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ব্যাপক সহিংসতা চলিয়েছে, তারাই এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আছে৷ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর কোনো সম্পৃক্ততা নাই৷''

প্রসঙ্গত, গত ২৮শে সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানে তাবেলা সিজারকে গুলি কওে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়