তাজমহলে ভারতীয়দের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ | বিশ্ব | DW | 03.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভারত

তাজমহলে ভারতীয়দের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ

মুঘল সম্রাট শাহজাহানের তৈরি তাজমহল গত কয়েকমাস ধরেই খবরে৷ বিশেষত, যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে৷ এবার নতুন সিদ্ধান্ত, তাজমহলে দিনে ৪০ হাজারের বেশি ভারতীয় পর্যটক ঢুকতে পারবেন না৷

আগে তাজমহলে ঢোকার জন্য দু'রকমের টিকিটের ব্যবস্থা ছিল৷ সাধারণ ভারতীয়রা কম দামের টিকিট কেটে ঢুকতে পারতেন এই মুঘল সৌধে৷ আর বিদেশি পর্যটকদের জন্য বেশি দামের টিকিটের ব্যবস্থা ছিল৷ আর ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য কোনও টিকিটের প্রয়োজন ছিল না৷ পর্যটকদের সংখ্যারও কোনও নির্ধারিত মাত্রা ছিল না৷ বিশেষ বিশেষ দিনে দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ তাজমহল দেখার সুযোগ পেতেন৷ নতুন নিয়ম অনুসারে, সাধারণ টিকিট নিয়ে দিনে মাত্র ৪০ হাজার ভারতীয় সৌধটিতে ঢুকতে পারবেন৷ বিদেশি পর্যটকরা জন্য অবশ্য এই হিসেবের বাইরে৷

ভিডিও দেখুন 01:07
এখন লাইভ
01:07 মিনিট

তাজমহলের নাম বাদ!

আর্কিয়োলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া, উচ্চপদস্থ আমলা, পুলিশ এবং প্যারামিলিটারির কর্তারা বৈঠক করে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন৷ মূলত দু'টি কারণে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে৷ এক, রক্ষণাবেক্ষণ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ; দুই, অতিরিক্ত পর্যটকের কারণে দুর্ঘটনা এড়ানো৷ সূত্রের খবর, সূর্যোদয়ের পর থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ২০ হাজার দর্শনার্থী তাজমহলে প্রবেশ করতে পারবেন৷ ১৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের বিনামূল্যের টিকিট দেওয়া হবে৷ ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বাকি ২০ হাজার দর্শনার্থী সৌধটিতে প্রবেশ করতে পারবেন৷ প্রয়োজনে দর্শনার্থীরা অন লাইনে অগ্রিম টিকিটও কাটতে পারবেন৷

যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বার বার খবরে এসেছে তাজমহল৷ আদিত্যনাথের প্রথম রাজ্য বাজেটে তাজমহলের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি৷ বিষয়টি নিয়ে দেশ জুড়ে যথেষ্ট আলোড়নও হয়েছিল৷ পরবর্তীকালে অবশ্য আদিত্যনাথের সরকার তাজমহলের জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ করে৷ এছাড়াও বিজেপি'র কোনো কোনো নেতা দাবি করেন, তাজমহল এক সময় ছিল হিন্দু মন্দির৷ তা নিয়েও যথেষ্ট আলোড়ন হয়েছিল৷

অধিকাংশ বিশেষজ্ঞই অবশ্য বর্তমান সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ এ সিদ্ধান্ত তাজমহলে দূষণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

রয়টার্স, টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (এসজি/এসিবি)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও