1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

তাইওয়ানে টেলিফোনে প্রতারণাকারী চক্র আটক

টেলিফোনে ভুয়া পরিচয় দিয়ে মোটা অঙ্ক হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা নতুন নয়৷ তবে ফরাসি টোস্ট এর জন্য প্রায় চার লাখ মার্কিন ডলার হাতিয়ে নেওয়ার পর এবার ধরা পড়ে গেছে এই চক্রের কিছু হোতা, বলে দাবি করেছে তাইওয়ানের পুলিশ৷

default

তাইওয়ানের জনপদ

টেলিফোনে ভুয়া তথ্য ও পরিচয় দিয়ে নানা উপায়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চক্র বিভিন্ন দেশেই সক্রিয়৷ তবে এই চক্রকে ধরতে গত পাঁচ মাস ধরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছিল তাইওয়ানের পুলিশ৷ তাইওয়ানের হাশিনচু শহরের গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা পেং চিন-টু জানালেন, অবশেষে ১২ সদস্যের এই চক্রের উপর হানা দিতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ সদস্যরা৷ তবে পুলিশের নাগালে আসা চক্রটির ব্যাপারে বেশি কিছু প্রকাশ করেনি পুলিশ৷

এদিকে এই চক্রের খপ্পরে পড়া ব্যক্তিদের খোঁজ খবর শুরু করেছে পুলিশ৷ যাতে করে চক্রটির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা যায়৷ এই চক্রটির অন্যতম শিকার হাশিনচু শহরের একটি বৈজ্ঞানিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী৷ তাঁর পুরো নাম প্রকাশ করা হয়নি৷ তবে শেষ নামটি হলো চাই৷ জানা গেছে, লোভনীয় সুস্বাদু মচমচে ফরাসি টোস্ট খাওয়ার জন্য ইন্টারনেটে অর্ডার দিয়েছিলেন চাই৷ কিন্তু সেই টোস্ট তিনি খেতে না পেলেও তার জন্য তাঁকে অন্তত সাত দফা মূল্য দিতে হয়েছে৷

এই টোস্টের প্রকৃত মূল্য ৯৯ তাইওয়ানি ডলার৷ যা প্রায় তিন মার্কিন ডলারের সমান৷ অথচ এই টোস্টের জন্য অর্ডার দেওয়ার পর বেকারি থেকে তাঁকে বলা হয় যে, তিনি কোথাও ভুল করেছেন৷ তাই তাঁকে আবারো দাম দিতে হবে৷ কিন্তু দ্বিতীয়বার মূল্য পরিশোধের পর আরও ফোন আসতে থাকে৷ ফোনের ওপার থেকে কখনও ব্যাংক কর্মকর্তা, কখনও ব্যাংক ম্যানেজার আবার কখনও অর্থ দপ্তরের নিয়ন্ত্রক পরিচয় দিয়ে তাঁকে বলা হয় যে, তিনি কোথাও ভুল করেছেন৷ যে কারণে তাঁকে আবারও ঐ টোস্টের মূল্য দিতে হবে৷ এভাবে একের পর এক টেলিফোন বার্তা অনুযায়ী সাত দফা মূল্য দিতে থাকেন চাই৷

শেষ পর্যন্ত দেখা গেছে সেই টোস্টের জন্য তিনি দিয়েছেন মোট এক কোটি বিশ লাখ তাইওয়ানি ডলার৷ বেচারা চাই এরপর টের পান যে, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন৷ কিন্তু এতো টাকা দিয়েও তিনি তাঁর সাধের ফরাসি টোস্ট খেতে পাননি৷ জানা গেছে, থাইল্যান্ড থেকে আসা এই টোস্টের এতই চাহিদা যে, কাউকে এই টোস্ট খেতে হলে ইন্টারনেটে অর্ডার দিয়ে চার মাস অপেক্ষা করতে হয়৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা