1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

তত্ত্বাবধায়ক আমলের ‘ট্রুথ কমিশন’ অবৈধ

ট্রুথ কমিশন অবৈধ বলে দেয়া হাইকোর্টের রায়কে বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতির দায় স্বীকার করে জরিমানা দিয়ে মার্জনা পাওয়া সরকারি কর্মকর্তাদের আবার বিচারের মুখোমুখি হতে হবে৷

supreme court.jpg These photos are taken by me & i permit to use Maskwaith Ahsan and his associates. With Regards Harun Ur Rashid Swapan

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৮ সালের ৩রা জুলাই থেকে সত্য ও জবাবদিহিতা কমিশন বা ট্রুথ কমিশন কাজ শুরু করে৷ কমিশন দুর্নীতিবাজদের স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার এবং জরিমানা আদায়ের মাধ্যমে অনুকম্পা বা মার্জনার সুযোগ দেয়৷ দুর্নীতির দায়ে যারা দু'বছরের কম মেয়াদে সাজা পান শর্ত সাপেক্ষে তাদের দায়মুক্তির জন্যই মূলত এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল৷ কিন্তু ওই কছরেরই আগষ্ট-এ ট্রুথ কমিশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়৷ ১৩ই নভেম্বর হাইকোর্ট ট্রুথ কমিশনকে অবৈধ ঘোষণা করেন৷ এর ফলে যেসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অনুকম্পা পান তারা আবার দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত এবং মামলার আওতায় চলে আসেন৷ ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে অনুকম্পা পাওয়া দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পক্ষে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী মনজুর আহমেদসহ ৩ জন হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন৷ আজ প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ তাদের আপিল আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন৷ সাংবাদিকদের একথা জানান আপিলকারীদের আইনজীবী আজমালুল হক কিউসি৷

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে ট্রুথ কমিশনে অনুকম্পা পাওয়া প্রায় ৫শ' সরকারি কর্মকর্তা আবারো তদন্ত এবং বিচারের মুখোমুখি হবেন৷

এদিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নতুন দু'জন বিচারপতি আজ শপথ নিয়েছেন৷ তারা হলেন বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এবং বিচারপতি শামসুল হুদা৷ বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক তাদের শপথ পড়ান৷ প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের আজই ছিল শেষ কার্য দিবস৷ নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন৷ তার বুধবার শপথ নেয়ার কথা৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়