1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

রাজধানী ঢাকায় দিন দিন বাড়ছে আবর্জনার পরিমাণ৷ ফলে দূষিত হয়ে উঠছে চারপাশের পরিবেশ৷ এই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইটালির একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হলেও তা বাস্তবায়িত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি৷

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগরের প্রতিদিনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে ইটালির ‘ম্যানেজমেন্ট এনভায়রনমেন্ট ফাইন্যান্স এসইএল'-এর সঙ্গে সরকার চুক্তি করেছে৷ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত তৎকালীন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক জানিয়েছিলেন, আমিনবাজার ও মাতুয়াইলে অবস্থিত সিটি কর্পোরেশনের ল্যান্ডফিল সাইটে প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে৷ প্রকল্পের জন্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ৪৩.৪ একর জমি প্রতিবছর ৬৯ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় কোম্পানিকে ইজারা দেবে৷

এই প্রকল্প থেকে বিদ্যুতের পাশাপাশি জৈব সারও উৎপন্ন হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী নানক বলেছিলেন, দুটি সিটি কর্পোরেশন প্রকল্পের জন্য প্রতিদিন চার হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য সরবরাহ করবে৷ প্রকল্প থেকে উৎপাদিত প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ৮ টাকা ৭৫ পয়সা দরে কিনবে সরকার৷ ২০ বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো যাবে না৷

এদিকে, বেশ কয়েক বছর ধরে ঢাকার বর্জ্য থেকে কমপোস্ট সার তৈরি করছে ওয়েস্ট কনসার্ন নামের একটি কোম্পানি৷ তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায়, চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত কোম্পানিটি প্রায় ৯৫ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য রিসাইকল করেছে৷

রাজধানীতে উত্পন্ন বর্জ্যগুলো তিনভাগে ভাগ করা যায়৷ জৈব বর্জ্য, প্লাস্টিক বর্জ্য ও অন্যান্য বর্জ্য – যার মধ্যে পড়ে ধাতব সহ অন্যান্য বর্জ্য৷ এর মধ্যে জৈব বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় ৮০ শতাংশ৷ বিশ্লেষকরা মনে করেন, বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করা গেলে আমিনবাজার ও মাতুয়াইলে থাকা ঢাকার দুটো ল্যান্ডফিলের আয়ুস্কাল বাড়ানো যাবে৷ বর্তমান হারে আবর্জনা জমা হতে থাকলে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে সেগুলো ভরাট হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, ঢাকার মতো শহরে ল্যান্ডফিলের জন্য উপযুক্ত জায়গা পাওয়া খুব কঠিন হতে পারে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন