1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ড. ইউনূস প্রসঙ্গ নিয়ে বিতর্কে মার্কিন কূটনীতিক

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ স্বাভাবিক৷ তবে তা যদি হয় সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য তাহলে তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল, বলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান৷

default

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ও ব্রেক (ফাইল ফটো)

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী রবার্ট ও ব্লেকের বাংলাদেশ সফর ও ড. ইউনূসকে নিয়ে তাঁর তৎপরতার বিষয়ে ডয়চে ভেলের কাছে এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান৷ রবার্ট ও ব্লেকের আশা বাংলাদেশ সরকার এবং ড. ইউনূস একটি সমঝোতায় পৌঁছবেন৷

রবার্ট ও ব্লেক বাংলাদেশ সফরে এসে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন৷ তিনি বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং সচিবের সঙ্গে৷ বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে৷ আলাপ হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গেও৷ তিনি আশা করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার একটি সম্মানজনক সমঝোতায় পৌঁছবে৷ গ্রামীণ ব্যাংককে সঠিক পথে চালাতে সরকার আন্তরিক হবে৷

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে মার্কিন সরকারের উদ্বেগ এবং আগ্রহের কথা তাঁরা জেনেছেন৷ তবে সমঝোতার কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী দেননি৷ আর বিষয়টি যেহেতু আদালতে, তাই এব্যাপারে সরকারের কিছু করার নেই৷

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী রবার্ট ও ব্লেকের বাংলাদেশ সফর ও ড. ইউনূসকে নিয়ে তাঁর উদ্বেগ যদি বন্ধুত্বের কারণে হয় তা হলে তাকে স্বাভাবিকই মনে করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান৷ তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, কিন্তু এসব যদি হয় সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়৷ কারণ তা হবে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল৷ আর আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়, বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক আইনের এই অধ্যাপক৷

উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের পর এখন বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন আছে৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

নির্বাচিত প্রতিবেদন