1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘ড. ইউনূস কোনো উদ্যোগ নিলে দোষের কিছু নেই’

নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মত বিনিময় করে যাচ্ছেন৷ খোলাখুলি নিজের মতামত দিচ্ছেন৷ দেশের সংকট নিরসনে তাঁর এই উদ্যোগ দোষের কিছু নয় বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ৷

গত জুন মাসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং একই মাসে বিএনপির আরেকটি প্রতিনিধি দল খালেদা জিয়ার অভিনন্দন-পত্র নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেন৷ গত ৭ই জুলাই বিকল্প ধারা বাংলাদেশ-এর একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে ইউনূস সেন্টারে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মত বিনিময় করেন৷ এরপর ২২শে আগস্ট কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এবং সোমবার বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সঙ্গে মতবিনিয় করেন তিনি৷

আর মাঝে অরাজনৈতিক সংগঠন ভাসানী অনুসারী পরিষদের সঙ্গে মত বিনিময়কালেও তিনি রাজনৈতিক সংকট নিয়ে কথা বলেন৷

সোমবারের মত বিনিময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আমার কাছে আসছে, সরকারের কেউ বা আওয়ামী লীগ যদি আমার কথা শুনতে চায় আহলে আমি সানন্দে রাজি৷'' তিনি আবারো বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে সংঘাত কমবে৷

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংকটে ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছেন, তাঁর মতামত জানাচ্ছেন, এটা ইতিবাচক৷ এছাড়া, তিনি নিজে যখন বলেছেন যে রাজনীতিতে আসবেন না, তাই তাঁর এই মত বিনিময় এবং মতামত দানে কোনো রাজনৈতিক অভিপ্রায় নেই বলেই মনে হয়৷

অধ্যাপক ইমতিয়াজ বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব সংকট নিরসনে দুই নেত্রীর সংলাপের কথা বলেছেন৷ এজন্য ড. ইউনূস মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারতেন৷ কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংকসহ আরো নানা ইস্যুতে সরকার এবং সরকারের প্রধান ড. ইউনূসের ব্যাপারে তাদের মনোভাব স্পষ্ট করেছেন৷ তাই ড. ইউনূস কোনো উদ্যোগ নিলে তাতে সরকারের সাড়া পাওয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন না৷ তবে তিনি কোনো উদ্যোগ যদি নেন, তাতে দোষের কিছু দেখেন না অধ্যাপক ইমতিয়াজ৷

তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকার এ পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে সেসব ব্যাপারে অবস্থান স্পষ্ট করতেই ড. ইউনূস সংবাদমাধ্যমে কথা বলা শুরু করেন৷ এখন রাজনৈতিক বিষয়েও কথা বলছেন৷ অরাজনৈতিক ব্যক্তি রাজনৈতিক বিষয়ে কথা বললে বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললে, তাতে সমালোচনা করার কিছু নেই৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন