1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘ডয়চে ভেলে জার্মানির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য কণ্ঠ'

ই-মেলে মঙ্গলবারও উঠে এসেছে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রসঙ্গ৷ পাঠকরা ডয়চে ভেলের বিদায়ী এবং নতুন মহাপরিচালককে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন৷

ঢাকার ফ্রেন্ডস ডি-এক্সিং ক্লাবের মো. সোহেল রানা হৃদয় ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে পাঠকদের সাম্প্রতিক ভিড় দেখে খুশি৷ রামপালের পরিকল্পনাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানাতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘‘সুপ্রিয় বন্ধুরা, সম্প্রতি ডয়চে ভেলের ওয়েবসাইট এবং ফেইসবুক বন্ধুদের বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ এটা ইতিবাচক দিক৷ আমরা এভাবেই চেষ্টা করে যাব আবার আমাদের ডয়চে ভেলেকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনতে৷....আপনাদের দেখাতে চাই রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিপক্ষে যেমন ভোট পড়েছে, তেমনি পক্ষেও হাজারো ভোট পাড়বে৷ আমরা আবার এক হবো৷''

- মো. সোহেল রানা হৃদয়, ডয়চে ভেলে তো সব সময় আপনাদের মাঝেই আছে! ​

Global Media Forum Teilnehmer Erik Bettermann

বিদায় নিয়েছেন এরিক বেটারমান


প্রায় ১২ বছরের কার্যকালের পর ডয়চে ভেলে থেকে বিদায় নিয়েছেন এরিক বেটারমান৷ মঙ্গলবার তাঁর জায়গায় মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করছেন পেটার লিমবুর্গ৷ নতুন দিল্লি থেকে সুভাষ চক্রবর্তী বিদায়ী মহাপরিচালক এরিক বেটারমান এবং নবনিযুক্ত মহাপরিচালক পিটার লিমবুর্গকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷

পেটার লিমবুর্গ এবং এরিক বেটারমানকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে জিয়াগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ডা. সিদ্ধার্থ সরকার, চৈতালী সরকার এবং সৌরদীপ সরকার লিখেছেন, ‘‘আমরা বিশ্বাস করি, এ যাবৎ ডয়চে ভেলে গোটা বিশ্বে জার্মানির যে সঠিক চিত্র আর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে জার্মানির নিরপেক্ষ, নির্ভিক অবস্থান তুলে ধরে এসেছে, ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যহত থাকবে৷ ডয়চে ভেলের নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা, সজীবতা বরাবরই প্রশ্নাতীত৷ গোটা বিশ্বের কাছে ডয়চে ভেলে জার্মানির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য কণ্ঠ৷ জার্মানিকে চেনার-জানার সবচেয়ে প্রশস্ত, সুন্দর জানালা৷

প্রায় ১২ বছর অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মহাপরিচালকের দ্বায়িত্বভার সামলানোর পর আজ বিদায় নিচ্ছেন এরিক বেটারমান৷ ভারাক্রান্ত হৃদয়৷ ‘বিদায়' বলতে পারছি না৷ শুধু বলবো – ভালো থাকবেন বেটারমান৷

- লেখার জন্য বন্ধুদের অসংখ্য ধন্যবাদ৷

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন