1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘ডয়চে ভেলের পরিবর্তন যথার্থ ও সময়োপযোগী’

‘‘বন্ধুদের কাছে ডিডাব্লিউ-র খোলা চিঠি – আমি অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়েছি৷ এ যাবৎ ডয়চে ভেলের অনেক পরিবর্তন আমি দেখেছি৷ তবে ডিডাব্লিউ এবার যে নতুন রূপে, নতুন সাজে আমাদের মাঝে এসেছে, তা এর আগে লক্ষ্য করিনি৷’’

ভাটরা, সিহালী, শিবগঞ্জ, বগুড়া, বাংলাদেশ থেকে বন্ধু এম.এ বারিক ডিডাব্লিউ-র নতুন ওয়েবসাইট সম্পর্কে মতামত জানিয়ে নিজের ই-মেলটি শুরু করেছেন ঠিক এভাবেই৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘ডয়চে ভেলের এ পরিবর্তন যথার্থ এবং সময়োপযোগী৷ আমি আশা করি, আপনাদের ওয়েবসাইটের এ পরিবর্তনের ফলে পাঠক সমাজের কাছে ডিডাব্লিউ-র মান অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং আপনারা আপনাদের হারানো শ্রোতাবন্ধুদের ফিরে পাবেন৷ যাই হোক, এবার আসা যাক ১লা অক্টোবর থেকে নতুন আঙ্গিকে সাজানো আপনাদের ওয়েবসাইট প্রসঙ্গে৷ এর মাঝে আপনারা অনেক প্রতিবেদন ‘পাবলিশ' করেছেন৷ সেই প্রতিবেদনগুলোতে পাঠকবন্ধুরা তাঁদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন৷ আপনারা এখন আমাদের মন্তব্যকে গুরুত্বও দিচ্ছেন৷ আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে গুরুত্বের সাথেই তুলে ধরছে ডয়চে ভেলে৷ থাকছে জার্মান ও ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গিও৷ এ সবই আমরা ডিডাব্লিউ-র কাছে আশা করি৷ তবে আপনারা খেয়াল রাখবেন যে, একই প্রতিবেদন যেন বার বার ‘পোস্ট' না হয়৷ কারণ আমরা আপনাদের কাছে নতুন নতুন খবর আর মজার মজার ‘টিপস' চাই৷ তাই প্রতিদিনই নতুন পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করবেন৷''

এছাড়া তিনি লিখেছেন, ‘‘আপনারা নতুন ধরণের কিছু প্রতিযোগিতার আয়োজন করবেন জেনে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে৷ এবার আপনাদের কাছে থেকে আমরা অসংখ্য পুরস্কার জিততে পারবো৷ তবে পুরস্কারের মান যাতে পাঠকদের আকৃষ্ট করে, সে বিষয়টিও ভেবে দেখবেন৷ পাঠকদের পাঠানো ছবি দিয়ে ছবিরঘর তৈরির উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়৷ ডয়চে ভেলে যেমন চায় উচ্চমানের সাংবাদিকতা, ঠিক তেমনি চায় ভালো মানের ফটোগ্রাফারও৷ এর ফলেই এই উদ্যোগ৷ ই-মেলে ছবি পাঠাতে কিন্তু বেশ সময় লাগে৷ তাই এ বিষয়ও মাথায় রাখবেন৷ যাতে সবাই ছবি পাঠাতে পারে৷ আপনাদের ওয়েবসাইট নিয়ে মাসিক কুইজও শুরু করতে পারেন৷ আর আপনারা নিয়মিত ই-মেলের মাধ্যমে পাঠকদের ই-মেলের প্রাপ্তিস্বীকার করবেন৷ আপনাদের কাছে থেকে ই-মেল আসলে যে কোনো পাঠকেরই ভালো লাগবে৷ ‘নিউজলেটার' পাঠানো অব্যাহত রাখবেন৷ আপনাদের যে সব নিয়মিত পাঠক সবচেয়ে বেশি ই-মেল, ছবি, মন্তব্য ইত্যাদি পাঠাবেন, একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর তাঁদের পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন৷ কারণ হতে পারে এটাও একটা প্রতিযোগিতা এবং ঐ পাঠকের কাজের স্বীকৃতি৷ আপনাদের টিভি অনুষ্ঠান #অন্বেষণও চালিয়ে যাবেন৷ আপনাদের সাইটটিতে অনেক পুরানো কিছু কিছু পোস্ট রয়েছে৷ আমার অনুরোধ, সেই পোস্টগুলো মুছে ফেলবেন এবং তাতে নতুন কিছু অ্যাড করবেন৷ পরিশেষে বছরে একবার পাঠক সমাবেশ করার অনুরোধ জানাচ্ছি৷ পাঠকদের সাথে ডয়চে ভেলের সম্পর্ক যাতে আরও ঘনিষ্ঠ ও নিবিড় হয় – এই শুভকামনায় এখানেই শেষ করছি৷''

- ধন্যবাদ ভাই বারিক আপনার মতামতের জন্য৷ আমাদের ভালো লাগতো যদি আপনি আমাদের প্রতিযোগিতা সম্পর্কে কোনো প্রস্তাব পাঠাতেন৷ আপনার মতামতে পুরস্কারের বিষয়টি জোড়ালোভাবে স্থান পেলেও প্রস্তাব সেভাবে স্থান পায়নি৷ গতকালের চিঠিতে কিন্তু আমরা প্রস্তাব পাঠানোরই অনুরোধ করেছিলাম পাঠক বন্ধুদের কাছে৷ আগামী ই-মেলে জানাবেন, কেমন?

পরে ই-মেলটি লিখেছেন বর্ধমান থেকে পুরনো বন্ধু অজয় কুমার৷ তিনি জানতে চেয়েছেন, ‘‘বিশেষ সূত্র থেকে জানতে পারলাম, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলা পরিবেশনা আবারো মিডিয়াম ওয়েভে প্রচার হতে যাচ্ছে৷ এই তথ্য কতটা সত্য, অবশ্যই মেলের উত্তর মেলে দেবেন৷ অজয় কুমার সরকার, হটুদেওয়ান নাগেরপাড়া, বর্ধমান, ভারত৷''

- এমনটা হলে কিন্তু আমারাও কম খুশি হতাম না৷ না ভাই, এই তথ্য মোটেও সত্য নয়! কেমন আছেন আপনারা? আপনার স্ত্রী তপতী ও আপনি আমাদের অনেক শুভেচ্ছা নেবেন৷ তাঁকে বলবেন, আমরা তাঁর কাছ থেকে আগের মতো মতামত পেতে চাই৷ সকলের জন্য রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা, ভালো থাকবেন আর সাথে থাকবেন – এটাই আমাদের প্রত্যাশা৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন