1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

ডয়চে ভেলের ওয়েবপেজ

‘‘ইদানীং ডয়চে ভেলের ওয়েবসাইট পড়ে খুব ভালো লাগছে৷ এর কারণ হলো নিয়মিত আপডেট৷ সময়ের সাথে তাল দিয়ে চলতে পারে একমাত্র ডয়চে ভেলে আর এ জন্য আমার ভীষণ ভালো লাগে৷’’ এভাবেই লিখেছেন পাঠক বারিক৷

বন্ধু বারিক আরো জানিয়েছেন, ‘‘আমি আপনাদের বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকি৷ কিন্তু কোনো পুরস্কার ভাগ্যে আসেনি৷ তারপরও আমি কুইজে অংশগ্রহণ করি, হয়ত একদিন পেয়ে যাব৷''

‘‘আমি আপনাদের অনেক পুরোনো শ্রোতা৷ ডয়চে ভেলে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বিশেষ কুইজ আয়োজন করতে যাচ্ছে শুনে ভালো লাগলো৷ এই বিশেষ কুইজে অংশ নেয়া প্রত্যেককে ছোটো-খাটো উপহার দেওয়ার জন্য আমি আপনাদের অনুরোধ করছি৷'' লিখেছেন এমএ, বারিক, ভাটরা, সিহালী, শিবগঞ্জ, বগুড়া৷

‘‘আমি আপনাদের পাঠানো আইপডটি কোনো প্রকার ডাক মাশুল ছাড়াই হাতে পেয়েছি৷ এ জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ৷ আইপডটি আমার খুব পছন্দ হয়েছে৷ তবে দুঃখের বিষয় গত ২৪/০৫/২০১৪ তারিখ একটা অ্যাকসিডেন্ট করে আমার বা হাত ভেঙে গেছে৷ আমার জন্য দোয়া করবেন৷ আগামী এক মাস ‘বেড রেস্টে' থাকতে হবে৷ আমি শুধুমাত্র ডান হাত দিয়ে এই লেখাটি লিখলাম৷'' মো.ওবায়দুল্লাহ পিন্টু, আমলাসদরপুর, আমলা, কুষ্টিয়া৷

নতুন দিল্লি, ভারত থেকে আমাদের নিয়মিত বন্ধু সুভাষ চক্রবর্তী লিখেছেন –

‘‘ওয়েবসাইটের প্রতিটি পাতা যেভাবে আপডেট করা হচ্ছে, সেটা দেখে খুব ভালো লাগছে৷ প্রতিদিন নতুন উত্সাহে লেখাগুলি পড়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকি৷ সমাজ সংস্কৃতি/বিনোদন শীর্ষক পাতায় ‘হুমবোল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্র-ভাষণের পুনরুদ্ধার' সম্পর্কিত প্রতিবেদন থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য জানা হয়ে গেল৷ কলকাতার জার্মান কনসুলেট জেনারেল রাইনার শ্মিডশেন রেকর্ডটি খুঁজে বের করার জন্য যে পরিশ্রম করেছেন, তা এক কথায় এক অনন্য প্রয়াস৷ কবি-কণ্ঠের সেই ঐতিহাসিক রেকর্ডিং এবং তার বয়ানের অনুলিপি যত বেশি রবীন্দ্র অনুরাগীরা শুনতে এবং পড়তে পারবেন, তাঁর এই অসামান্য প্রয়াস ততধিক সার্থক হয়ে উঠবে৷ ‘ডি-ডে' যাকে আমরা নর্মান্ডি ল্যানডিং, সাংকেতিক নাম ‘অপারেশন নেপচুন' বলে জানি, ইতিহাসের সেই ঘটনার ৭০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান নিয়ে ‘ডি-ডে' সাক্ষাৎ সত্ত্বেও আলোচনা নয় পুটিন-ওবামার' শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে বিস্তারিত তথ্য পেয়ে ভালো লাগলো৷''

তিনি আরো লিখেছেন – ‘‘৫ই জুন ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস৷ বিভিন্ন পরিবেশগত উদ্বেগ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রতি বছর এই দিনটি আমরা পালন করে থাকি৷ বিশ্ব উষ্ণায়ণের কারণে বিশ্বের ছোট ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলির উপকূলীয় জলস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে, যা খুবই উদ্বেগের কারণ এবং দ্বীপগুলির অস্তিত্বও হুমকির মুখে৷ সেই প্রেক্ষাপটে এই বছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের থিম ‘রেইজ ইয়োর ভয়েস, নট দ্য সি লেভেল' খুবই যথাযথ৷ এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে ওয়েবসাইটের পাতায় একটি পরিবেশনা আশা করেছিলাম৷ এভাবেই প্রতিদিন আমি ডয়চে ভেলের সাথে আছি৷ শুভেচ্ছা নেবেন সকলে৷''

- লেখার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন