1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

‘‘ড্রোন যুদ্ধ''

আগামীতে কি কম্পিউটাররাই মানুষের বাঁচা-মরার উপর সিদ্ধান্ত নেবে? বিশ্বশান্তি নিয়ে যারা চিন্তাভাবনা করেন, তাঁরা বলছেন, ড্রোন নামক অস্ত্রটি ব্যবহার করার অর্থ, যুদ্ধকে রোবোটদের হাতে ছেড়ে দেওয়া৷

চালকবিহীন বিমান, যা ছবি তুলতে, রকেট হানতে কিংবা বোমা ফেলতে সক্ষম৷ অতীতের মহাকাব্যে হয়ত এ ধরনের অস্ত্রের কথা ভাবা হয়েছিল, যেমন শব্দভেদী বাণ৷ কিন্তু শত্রুর বিরুদ্ধে ড্রোন ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা, নিজের গণ্ডি না ছেড়ে, নিজেদের সৈন্যকে কোনোরকম বিপদের মুখে না ফেলে, শত্রুকে বিনষ্ট করা যায়৷ তা-তে মাঝেমধ্যে কিছু নির্দোষ মানুষ মারা পড়ে বটে – আপাতত – কিন্তু কে জানে ভবিষ্যতে এই ড্রোনরা আরো নিখুঁত, আরো নির্ভুল হয়ে উঠবে কিনা?

NO FLASH Computer Technik Militär

দূরে বসেই চালানো যায় মারাত্মক ড্রোন হামলা

মোট কথা, ড্রোন প্রযুক্তি এগিয়ে চলেছে, যেমন বেড়ে চলেছে তার ব্যবহার৷ কিন্তু বন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর কনভারসন বা বিআইসিসি-র গবেষকরা জঙ্গি ড্রোন ব্যবহারের নেতিবাচক দিকটাও বিবেচনা করে দেখেছেন৷ তাঁরা বলছেন, ড্রোনের ব্যবহার হলো ‘‘রিমোট হাতে নির্ঝঞ্ঝাট যুদ্ধ''৷ আরো বড় কথা, ড্রোনের মাধ্যমে এমন সব দেশে ঢুকে যুদ্ধ চালানো যায়, যেখানে বস্তুত যুদ্ধের অবতারণা ঘটেনি, অথবা সরকারিভাবে কোনো যুদ্ধঘোষণা করা হয়নি – যা কিনা আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে৷ সন্ত্রাসবাদী সন্দেহে অপর দেশের নাগরিকদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করাটা ড্রোন যুদ্ধের অঙ্গ – অথচ যাদের হত্যা করা হচ্ছে, তাদের কোনো সঠিক বিচার হয়নি৷

ড্রোন ব্যবহারের ফলে যুদ্ধ আর শান্তির মধ্যে বিভাজনরেখাটাই ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে, বলছেন বিআইসিসি-র গবেষকরা৷ ‘ইউরো হক' ড্রোন কেনা নিয়ে জার্মানিতে চলতি কেলেংকারির পরিপ্রেক্ষিতে শান্তি আন্দোলনকারীরা জার্মান সরকারের প্রতি জঙ্গি ড্রোন না কিনে, সে ধরনের ড্রোনের ব্যবহার আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ করার জন্য সক্রিয় হবার আহ্বান জানিয়েছেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়