1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ড্রোন থেকে তোলা ছবি

গোটা জার্মানি জুড়ে আছে নানা ধরনের স্ট্যাচু, বড় বড় থাম কিংবা প্ল্যাটফর্মের ওপর দাঁড় করানো৷ মূর্তিগুলো হয়তো বেশ কয়েক মিটার লম্বা৷ ধরুন যদি একটা ড্রোনের উপর ক্যামেরা বসিয়ে এই সব স্ট্যাচুর ছবি তোলা যায়?

ভিডিও দেখুন 04:39

অন্যভাবে ভাস্কর্য দেখা

এমন সব মানুষজনকে কাছ থেকে দেখা, যারা সাধারণত আমাদের অনেক ওপরে থাকেন৷ যেমন হামবুর্গ শহরে জার্মান রাইশ-এর প্রতিষ্ঠাতা অটো ফন বিসমার্ক-এর মূর্তি, মাটি থেকে ৩৪ মিটার উঁচুতে৷ কিংবা জার্মানির কাসেল শহরে গ্রিক উপদেবতা হারকিউলিস-এর আট মিটার উঁচু মূর্তি, যা ২০১৩ সাল যাবৎ ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত৷ অথবা নিডারভাল্ড-এর স্মৃতিসৌধে ‘গ্যারমানিয়া' বা ‘জার্মানিয়া'-র মূর্তি৷

এ সবের ছবি তুলতে ক্যামেরা যুক্ত ড্রোন ব্যবহার করেছেন আলোকচিত্রশিল্পী হাইনার-ম্যুলার এল্সনার৷ এল্সনার বলেন, ‘‘এ থেকে একটা অপ্রচলিত দৃষ্টিকোণ পাওয়া যায়, মূর্তিগুলোর খুব কাছাকাছি আসা যায়৷ যেন তাদের মুখোমুখি বসে আছি, তাদের সঙ্গে কথা বলছি৷ এমনভাবে তাদের দেখা একটা বিশেষ ব্যাপার৷ আর ছবি তোলা সম্ভব হলে, সেটা আরো অনেকে দেখবেন, বলে আশা করা যায়৷''

হাইনার তাঁর ড্রোন চালান রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে৷ বোতাম টিপে ক্যামেরাটাকে চালু করেন৷ সঙ্গে থাকেন এক সহযোগী, যিনি বেতার সংযোগের উপর লক্ষ্য রাখেন৷ পুরোটা মজা নয়, বরং একটা শক্ত কাজ৷ প্রত্যেকটি উড়ালের জন্য আলাদা করে অনুমতি চাই৷ বাতাসে ড্রোন উলটে পড়তে পারে, মাটিতে আছড়ে পড়তে পারে – অথচ এমন একটা ড্রোনের দাম একটা মাঝারি গোছের গাড়ির সমান৷

এল্সনার জানালেন, ‘‘বলতে কি, এটা আমার ছেলেবেলার স্বপ্ন৷ ওপরে ঐ যে জিনিসটা ঘুরছে, তার দাম কিন্তু অনেক বেশি, এই যা৷ আমার তো সব সময় হাত ঘামে, কাজ শেষ হবার পরে, প্রত্যেকবার ড্রোনটা ল্যান্ড করার পরে৷ পুরোটাই অবশ্য অভ্যেসের ব্যাপার, উড়াল প্রতিবারেই আর একটু ভালো হয় – আবার প্রতিবারেই এমন সব ঘটনা ঘটে, যা ঘটার কথা ছিল না৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও