1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ডোপিং কেলেংকারিতে পাঁচ ভারতীয় অ্যাথলিট

প্রতিটি বড় খেলার আগে খেলোয়াড়দের ড্রাগ টেস্ট করাটা এখন বাধ্যতামূলক৷ নিষিদ্ধ বলবর্ধক ঔষুধ কিংবা দম ধরে রাখার জন্য অসৎ পথের আশ্রয় নেন খেলোয়াড়রা৷ ভারতের পাঁচ অ্যাথলিট সেই কাজই নাকি করেছিলেন৷

default

কমনওয়েলথ গেমস দিল্লি এর মাস্কট

আর এ জন্য আগামী মাসে কমনওয়েলথ গেমস থেকে তাঁদেরকে বলে দেয়া হলো, বিদায় বন্ধু, বিদায়৷

এবারের কমনওয়েলথ গেমসের স্বাগতিক দেশ ভারত৷ রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশাল এই যজ্ঞ৷ আর এ জন্য পুরোপুরি ঢেলে সাজানো হয়েছে সব কিছু৷ খেলোয়াড়দের দম ফেলার সময় নেই৷ স্বাগতিক দেশকে ভালো করতে হবে, আর এ জন্য চলছে কঠোর প্রশিক্ষণ৷

খেলার তো আর মাস খানেক বাকি৷ তাই নিয়ম অনুসারে ভারতের ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি বা নাডার কর্মকর্তারা খেলোয়াড়রা নিষিদ্ধ কোন ড্রাগ গ্রহণ করছেন কিনা তা পরীক্ষা শুরু করেছেন৷ একের পর এক যাচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিক্ষণ শিবিরে৷ এ রকম এক পরীক্ষার সময়ে নাডার বিশেষজ্ঞরা চারজন কুস্তিগির আর একজন সটপাট খেলোয়াড়ের দেহে পেয়েছেন নিষিদ্ধ ওষুধের অস্তিত্ব৷ এদের মধ্যে একজন আছেন মহিলা কুস্তিগীর, নাম গুরশরণপ্রীত কাউর৷ কলংকের তিলক পরা অন্য খেলোয়াড়রা হলেন, রাজীব টোমার, সুমিত কুমার, মৌসম খেত্রি৷ এদের সকলের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ মিথাইল হেক্সা নিয়ামাইন ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে৷

কিন্তু যাকে নিয়ে এই বিষয়টি সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে, সে হল রাজীব৷ এই কুস্তিগীর কয়েকদিন আগে ভারতের অন্যতম ক্রীড়া পদক অর্জুন পুরস্কারধারী৷ আর এই পঞ্চ খেলোয়াড়ের সকলেরই নাকি সম্ভাবনা ছিল সোনা জেতার!

অক্টোবরের ৩ তারিখে শুরু হবে কমনওয়েলথ গেমস৷ খেলার আগে কয়েকটি নির্মাণকাজ নিয়ে দুর্নীতির খবর বেশ চাউর চারিদিকে৷ আর এ নিয়ে একটা বড়সর দাঁও মারার জন্য ধারে শান দিচ্ছেন রাজনীতিবিদরা৷ ঠিক একই সময়ে ডোপিং কেলেংকারির খবরে ভারতের ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

ইন্টারনেট লিংক