1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ডেঙ্গু জ্বর রুখতে বিজ্ঞানীদের সাফল্য

ডেঙ্গু ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বের নানা দেশে সফলতার খবর শোনা যায়৷ তারপরও মশাবাহিত এই ভাইরাসে বছরে পাঁচ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয় এবং ২৫ হাজারের বেশি মারা যায়৷ এই মশা বিড়ম্বনা রোধে এবার এগিয়ে এসেছেন থাইল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা৷

default

থাই বিজ্ঞানীরা একটি বিশেষ ধরনের ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন যা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সহায়ক৷ ইতিমধ্যে ইঁদুরের শরীরে এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে৷ ইঁদুরের দেহে এটির সফলতা ৮০ শতাংশ৷ এবার মানুষের শরীরে এটি পরীক্ষা করা হবে৷ থাইল্যান্ডের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ভিরাচি ভিরামেটেকুল এই প্রসঙ্গে জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধক ভ্যাকসিন তৈরিতে এটি একটি বড় সাফল্য৷ গত ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে থাই বিজ্ঞানীরা এবং গবেষকরা এই নিয়ে গবেষণা করছেন৷

বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে ডেঙ্গু রোগের চার ধরণের লক্ষণ দেখা যায়৷ চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় জেনিটেক এঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজি কেন্দ্র ও মাহিডল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একটি হাইব্রিড ভাইরাস তৈরি করেছে, যা ডেঙ্গুর চার ধরণের লক্ষণই প্রতিরোধে ভ্যাকসিন হিসেবে কাজ করবে৷ মাহিডল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রসাদ আওয়ারকুল এই প্রসঙ্গে বলেন, ডেঙ্গুর চার ধরণের লক্ষণ প্রতিরোধে এই ভ্যাকসিনে সঠিক সামঞ্জস্যতা তৈরিই কাজটা সবচেয়ে কঠিন ছিল৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর পাঁচ কোটি মানুষ ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হন৷ অধিকাংশের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস খুব বড় ঝামেলা তৈরি না করলেও, মাঝে মাঝে তা জটিলতা তৈরি করতে পারে৷ সেক্ষেত্রে এই ভাইরাস আক্রান্তের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে৷ বিশেষ করে শিশুরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই মারা যেতে পারে৷ চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. বানসুক কিলাপাং জানান, আমাদের এই গবেষণা শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে৷

বলাবাহুল্য, এই ভ্যাকসিন তৈরির গবেষণার পেছনে কোটি ডলার খরচ করছে বেসরকারি বায়োটেকনোলজি কোম্পানি বায়ো-নেট এশিয়া৷ সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট ভিটুন ভংসানগুল জানিয়েছেন, আমরা এই ভ্যাকসিন সাশ্রয়ী মূল্যে বাজারে ছাড়তে চাই৷ এতে করে বিক্রির পরিমাণও বাড়বে৷

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গু ভাইরাসের উৎপাতও বাড়ছে৷ থাই গবেষকদের এই ভ্যাকসিন তাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভালোই বিকাবে৷ তাছাড়া অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলে এটি সরবরাহের পরিকল্পনা করছে নির্মাতারা৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়