1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ডেঙ্গুজ্বরে এগিয়ে আছে এশিয়া

মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুজ্বর দিনদিন আরও ছড়িয়ে পড়ছে এশিয়ায়৷ গত কয়েক দশকে যা হঠাৎ করে অনেক বেড়ে গেছে৷

default

এডিস মশা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডাব্লিউএইচও হুশিয়ারি দিয়েছে, দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই রোগের কারণে হুমকির মধ্যে রয়েছে বিশ্বের ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন মানুষ৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং জনসংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় এশিয়ার ৭০ শতাংশ মানুষ ডেঙ্গুর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে৷ সংস্থাটি বলছে, নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও৷

স্ত্রী মশা এডিস থেকে ডেঙ্গু মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এশিয়া অঞ্চলের বিশেষজ্ঞ যোগেশ চৌধুরী বলছেন, এই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে৷ নতুন নতুন এলাকার মানুষদের এতে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে৷ আন্তর্জাতিক সীমারেখা ছাড়িয়ে এই রোগটি এশিয়ার কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে৷

ভারতের নতুন দিল্লির সরকারি হাসপাতালগুলি ভরে গেছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীতে৷ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক এই শহরে ৭ হাজার বিদেশী খেলোয়াড় ও আমলারা রয়েছেন৷ ভারতের মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ পরিচালক এ সি ধারিওয়াল বার্তা সংস্থা এএফপি'কে বলেছেন, ‘‘বিশ বছরের বেশি সময় ধরে ভারতে ডেঙ্গু জ্বরে মারা গেছেন ৫০ জন এবং ১২ হাজার মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আমাদের কাছে রিপোর্ট রয়েছে৷ প্রকৃতপক্ষে এতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হবে৷''

তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ্বরের কোনো চিকিৎসা জানা নেই৷ কিন্তু এটি প্রতিরোধের জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে৷ যে বিষয়টির দিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত তা হলো বাড়ির আশেপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, যাতে পানি জমে সেখান থেকে মশা ছড়িয়ে পড়তে না পারে৷ অনেক শহরেই মশা নিধনের জন্য স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে৷ অনেকক্ষেত্রে এটাও কাজে আসতে পারে৷

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলেও এ রোগে মারা যাওয়ার সংখ্যা কমে এসেছে৷ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০০৬ সালে এই রোগের বিস্তার শতকরা ৩ দশমিক ৪ থাকলেও ২০০৭ সালে তা বেড়ে হয় ৫ দশমিক ২৫ এবং ২০০৯ সালে এই সংখ্যা ৯ দশমিক ১ এ এসে দাঁড়ায়৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়