1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ডুবে যাওয়া ফেরির ২৬৮জন এখনো নিখোঁজ

দক্ষিণ কোরিয়ার ডুবে যাওয়া ফেরির ২৬৮ জন যাত্রীকে এখনো উদ্ধার করা যায়নি৷ এ পর্যন্ত ১৭৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে৷ এছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে ২৮টি মৃতদেহও৷ উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে যাত্রীদের স্বজনরা এখনো ক্ষুব্ধ৷

দক্ষিণ কোরীয় উপকূলে বুধবার ডুবে যাওয়া ফেরিটিতে ৪৭৫ জন যাত্রী ছিল৷ যাত্রীদের অধিকাংশ যাত্রীই ছিল স্কুল শিক্ষার্থী৷ প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটি চালাচ্ছিলেন এক জুনিয়র অফিসার৷ এ নিয়ে নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা অসন্তোষ প্রকাশ করলেও ফেরি কর্তৃপক্ষের দাবি, এতে কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হয়নি৷ ফেরি কর্তৃপক্ষ এবং ক্যাপ্টেন দুর্ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন৷ তবে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী নন এমন দাবিও করেছেন তাঁরা৷

যাত্রীদের স্বজনরা অবশ্য দুর্ঘটনার জন্য কর্তৃপক্ষ এবং দায়িত্বরত ক্যাপ্টেনদেরই দায়ী মনে করেন৷ ফেরিটি ডুবে যাওয়ার সময় ক্যাপ্টেনসহ অন্যান্য কর্মীদের অনেকে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচান৷ মৃত্যুভয়ে আতঙ্কিত স্কুল শিক্ষার্থীরা তখন তাদের বাঁচানোর জন্য সহায়তা চাইছিল৷ ক্যাপ্টেন এবং ফেরির অন্যান্য কর্মীরা তখন সহায়তায় এগিয়ে না গিয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদেরও পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে৷ এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হ্যাম ইয়ং-হো বলেন, ‘‘তিনি (ক্যাপ্টেন) কী করে ছোট ছোট বাচ্চাদের ডুবন্ত ফেরি থেকে নিজে নিজে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বাঁচানোর কথা বলতে পারলেন?'' হ্যাম ইয়ং-হো-র সন্তানও ওই ফেরিতে ছিল৷ তাঁকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি৷

বুধবার সকালে ইনচিয়ন বন্দর থেকে ৪৭৫ জন যাত্রী নিয়ে জেজু দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে চোংহাজিন মেরিন কোম্পানির একটি ফেরি৷ জেজু দ্বীপ অবকাশ যাপন কেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ৷ ছুটির আনন্দে কয়েকটি দিন কাটাতে গিয়ে এখনো সন্ধান না পাওয়া ২৬৮জন যাত্রীর অধিকাংশের সলীল সমাধি হতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স,এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন