1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ডিম্বাণু সংরক্ষণ করলেও টাকা দেবে কোম্পানি

সেরা মগজ আকর্ষণ করতে ও দক্ষ কর্মীদের ধরে রাখতে বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলি নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে৷ ‘ফেসবুক’ ও ‘অ্যাপল’ এবার এক অভিনব উপায়ে নারী কর্মীদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে৷

অফিসে বিনামূল্যে খাদ্য-পানীয়, খেলাধুলা ও মনোরঞ্জনের নানা ব্যবস্থা করে থাকে গুগল, অ্যাপল, ফেসবুক বা মাইক্রোসফট-এর মতো ‘টেক' কোম্পানি৷ কিন্তু দিনকাল বদলাচ্ছে৷ পুরুষতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে পড়ছে, আরও নারী কর্মীদের আকর্ষণের চেষ্টা চলছে৷ সার্বিকভাবে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার বা কর্মীদের কাছে টানতেও অনেক ফন্দি-ফিকির ভাবতে হচ্ছে৷ কাজ ও পেশার তাগিদে অনেক নারী-পুরুষ আজকাল কম বয়সে সন্তানের কথা ভাবতে পারেন না৷ ফলে কৃত্রিম উপায়ে ডিম্বাণু সংরক্ষণ, ‘স্পার্ম ডোনেশন' বা বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে অনেকের৷ সে ক্ষেত্রে ফেসবুক ও অ্যাপল তাদের কর্মীদের জন্য ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত ব্যয় করবে বলে জানিয়েছে৷

এমন আর্থিক সুবিধা পেলে নারী কর্মীদের সুবিধা হবে বলে মনে করেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক শেলি করেল৷ সংবাদ সংস্থা এপি-কে তিনি বলেন, সন্তান ধারণের সময় স্থির করার ক্ষমতা পেলে পেশাজীবী নারীদের খুব উপকার হবে৷ ফলে তাঁদের দেহের ‘বায়োলজিকাল ক্লক' ও পেশাগত জীবনের চাহিদার মধ্যে যে সংঘাত দেখা দেয়, তা দূর করতে অনেক সুবিধা হবে৷ প্রায়ই দেখা যায় চাকুরিতে নিজের অবস্থান মজবুত করার সময়টাই নারীদের সন্তান ধারণ বা গর্ভধারণের বয়স৷ কৃত্রিম উপায়ে সন্তান ধারণের বয়স কিছুটা পিছিয়ে দিতে পারলে সুবিধা হয়৷

নানা গবেষণায় দেখা গেছে, ২৭ বছরের পর নারীর ডিম্বাশয়ের ক্ষমতা, অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর ডিম্বাণু সৃষ্টির ক্ষমতা সামান্য কিছুটা কমে যেতে পারে৷ তারপর ৩৪-৩৫ বছর বয়সে তা আরও কমে যায়৷ ৪০ থেকে ৪৪ বছর বয়সে প্রথম সন্তান ধারণ করেছেন – এমন নারীর সংখ্যা গত ২০ বছরে প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে৷ ফলে যাঁরা অপেক্ষা করতে চান, তাঁদের অনেকেই আগে থেকেই নিজেদের ডিম্বাণু ‘ফ্রিজ' বা সংরক্ষণ করে রাখতে চাইছেন৷ পরে ইচ্ছামতো সময়ে সেটি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে মা হতে পারেন তাঁরা৷

ফেসবুক চলতি বছরেই এই আর্থিক প্যাকেজ চালু করেছে৷ এর আওতায় ‘রিপ্রোডাক্টিভ রিলেটেড কস্ট'-এর জন্য ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত অর্থ দেওয়া হচ্ছে৷ তবে কর্মীকে প্রথমে নিজের পকেট থেকেই অর্থ দিতে হবে৷ তারপর তাঁর চাকুরির সময়কাল জুড়ে ধাপে ধাপে সেই অর্থ মিটিয়ে দেবে কোম্পানি৷ অ্যাপল আগামী বছর থেকে এই সুবিধা চালু করতে চলেছে৷ অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, অন্যান্য কোম্পানিও ধীরে ধীরে এই মডেল অনুসরণ করতে শুরু করবে৷

এসবি/ডিজি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন