1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

ডিজেলচালিত গাড়ির ভবিষ্যৎ নিয়ে জার্মানিতে বৈঠক

ডিজেলচালিত গাড়ি থেকে নির্গত হওয়া বিষাক্ত নাইট্রোজেন অক্সাইডের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদপিণ্ড সংক্রান্ত নানা রোগ হতে পারে৷ তাই বিশ্বের বিভিন্ন শহর এসব গাড়ির উপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারির পরিকল্পনা করছে৷

default

প্রতীকী ছবি

মার্সিডিজ বেনৎস ও পোরশে গাড়ির শহর বলে পরিচিত জার্মানির স্টুটগার্টের একটি আদালত ইতিমধ্যে ডিজেলচালিত গাড়ির উপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে৷ শহরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখার খাতিরে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত৷

এই অবস্থায় ডিজেলচালিত গাড়ির ভবিষ্যৎ নিয়ে গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিগুলোর প্রধান ও জার্মান সরকারের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ পেট্রোলচালিত গাড়ির চেয়ে ডিজেলচালিত গাড়ি কম কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করে বলে জার্মান গাড়ি নির্মাতারা এই খাতে অনেক অর্থ বিনিয়োগ করেছে৷

তবে ডিজেল ইঞ্জিন থেকে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন অক্সাইড বের হওয়ার খবরে জার্মান নাগরিকদের মধ্যেও এখন এর বিরোধিতা বেড়েছে৷ পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিসের এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৭ শতাংশ জার্মান মনে করেন, যেসব শহরে বাতাস ততটা বিশুদ্ধ নয় সেসব শহরে এই গাড়ি চলাচল বন্ধ করা যেতে পারে৷

ডিজেল গাড়ির এই সমস্যার সমাধানে গাড়ি নির্মাতারা স্বেচ্ছায় ক্রেতাদের একটি সফটওয়্যার প্যাচ দিচ্ছেন৷ এর ফলে বায়ু দূষণের পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানানো হচ্ছে৷ গাড়ি নির্মাতারা ইতিমধ্যে ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরির দিকে তাদের মনোযোগ দেয়া শুরু করেছেন৷ সেটি যতদিন পর্যন্ত না প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছাতে পারছে, ততদিন এভাবে সফটওয়্যার প্যাচ দিয়ে যেতে চায় গাড়ি নির্মাতারা৷ উল্লেখ্য, ফলক্সভাগেন কোম্পানি ২০২৫ সালের মধ্যে ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদনে বিশ্বের সেরা হতে চায়৷

রাজনীতি

ডিজেল গাড়ি নিয়ে এই নেতিবাচক পরিস্থিতির শুরু ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে৷ সেই সময় ফলক্সভাগেন স্বীকার করে যে, তারা বিশ্বব্যাপী বিক্রি হওয়া লক্ষ লক্ষ গাড়িতে একটি অবৈধ ডিভাইস ইনস্টল করেছে, যেটা বায়ু দূষণের পরিমাণ কম দেখায়৷ এরপর একে একে মার্সিডিজ বেনৎস প্রস্তুতকারক ডাইমলার ও বিএমডাব্লিউও এমন প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যায়৷

Infografik Das Geflecht von Politik und Autoindustrie ENG

এ সব খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ডিজেলচালিত গাড়ি সম্পর্কে জনমনে নেতিবাচক মনোভাব দেখা দেয়৷ তবে গাড়ি নির্মাতাদের সঙ্গে রাজনীতিবিদদের সুসম্পর্ক থাকায় এবং জার্মানির রপ্তানি আয়ের একটি বড় অংশ গাড়ি শিল্প থেকে আসায় নির্মাতাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে সমালোচকদের অভিযোগ৷

জার্মানিতে আর মাস দুয়েকের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ তার আগে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে গাড়ি নির্মাতাদের বিরুদ্ধে সরকার ততটা কঠোর ব্যবস্থা নেবে না বলেই মনে করছেন অনেকে৷ বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে৷ দূষণ কমাতে সরকার ও গাড়ি নির্মাতারা মিলে ৫০০ মিলিয়ন ইউরোর একটি বিশেষ তহবিল গঠন করতে পারে বলে জানা গেছে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়