1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ডাইনোসররা অতিকায় হল কি করে?

নিউ ইয়র্কের আ্যামেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি’তে ‘‘বিশ্বের বৃহত্তম ডাইনোসর’’-দের নিয়ে একটি প্রদর্শনী চলেছে৷ এবং সেই প্রদর্শনীর একজন পরিচালক হলেন জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবাশ্ম-বিজ্ঞানী মার্টিন স্যান্ডার৷

default

শিল্পীর তুলিতে ডাইনোসর

বস্তুত স্যান্ডার ৩০-৪০ জন জার্মান ও সুইশ বিজ্ঞানীদের একটি দলের নেতা, যাদের মধ্যে জীববিজ্ঞানী এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞরাও রয়েছেন৷ এরা সাওরোপড ডাইনোসরদের জীববিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেছেন৷ এবং তাদের প্রথম প্রশ্ন ছিল: এই প্রাগৈতিহাসিক জীবগুলি ওরকম বিশাল আকার ধারণ করল কি করে?

সাওরোপড গোত্রের অতিকায় জীবগুলি ১৪ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াত৷ যেরকম লম্বা গলা, সেরকম লম্বা ল্যাজ৷ দৈর্ঘ হয়তো ২০ মিটার৷ থামের মতো পা৷ তিনটে বড় বড় ট্রাক জোড়া দিলে ঐ আকারের একটা ডাইনোসর হয়৷ ওজন একটা বড়সড় হাতির দশ গুণ৷ কিন্তু জীবগুলো এ্যাতোটা বড় হয়ে উঠল কি করে?

স্যান্ডার ও তার সহযোগীরা গবেষণা করে দেখেছেন, ডাইনোসরদের এই বাড় তাদের পরিবেশ কিংবা পারিপার্শ্বিকের জন্য নয়৷ ওদের জীববিজ্ঞানগত বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই উত্তরটা লুকিয়ে রয়েছে৷ সুবৃহৎ ডাইনোসরগুলোর গলা অতি লম্বা হওয়ায় তাদের বিশেষ নড়াচড়া করতে হতো না৷ এবং তাদের খাবার চিবনোর কোনো বালাই ছিল না, স্রেফ গিলে ফেলতো, যার অর্থ, ওদের খাবার চিবনোর জন্য মুখের পেশী এবং ভারী মাথার কোনো প্রয়োজন পড়ত না৷ শুধু দিনে আধটন, মানে ৫০০ কিলো খাবার ধরার মতো একটা পেট থাকলেই চলতো৷

ছেলেপুলে মানুষ করা নিয়েও বেশি মাথা ঘামাতো না সাওরোপডরা - কেননা তারা বছরে দু'বার ডিম পাড়ত৷ কে না জানে একক সন্তান ধারণ করা এবং জন্ম দেওয়া, দু'টোই বেশি কষ্টসাধ্য এবং বিপজ্জনক৷ সেইজন্যই তো ডাইনোসররা কোটি-কোটি বছর ধরে বিলুপ্ত হয়নি - এক সেই উল্কাপাতে তারা ধ্বংস হয়ে যাওয়া আগে৷ ও হ্যাঁ, তাদের মেটাবলিজমও ছিল মন-মেজাজের সঙ্গে খাপ রেখে: মামেঙ্কিসরাস নামের এক ডাইনোসর মিনিটে নিশ্বাস নিতো মাত্র ছ'বার, যেখানে হাতিরা নিশ্বাস নেয় মিনিটে ৭২ বার৷

একটা নেংটি ইঁদুর মিনিটে ক'বার নিশ্বাস নেয় জানেন? ৭০০ বার৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন