1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ডাইঅক্সিন আতঙ্কে জার্মানির ৪,৭০০ খামার বন্ধ

ডিমে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকারক ডাইঅক্সিন পাওয়ার পর আগাম হুঁশিয়ারি হিসেবে ৪,৭০০ খামার বন্ধ করে দিয়েছে জার্মানির বিভিন্ন রাজ্য৷ বৃহস্পতিবার রাতে জার্মানির কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এই তথ্য৷

default

কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৪,৭০৯টি খামার এবং সংশ্লিষ্ট কাজকর্ম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে৷ এগুলোর মধ্যে ৪,৪৬৮টি খামারের অবস্থান জার্মানির উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য লোয়ার স্যাক্সনিতে৷

আপাতত বন্ধ রাখা খামারগুলো ডাইঅক্সিন দূষিত কিনা তা পরীক্ষা করা হবে৷ শুধুমাত্র ডাইঅক্সিন মুক্ত খামারগুলোই পরবর্তীতে কাজ শুরু করতে পারবে৷ বলাবাহুল্য, মাত্রাতিরিক্ত ডাইঅক্সিন মানুষের শরীরে নানাবিধ রোগ, এমনকি ক্যান্সারেরও কারণ হতে পারে৷

এছাড়া রাজ্য কর্তৃপক্ষ গবাদি পশুর শুকনা খাদ্য উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যেকোন উপাদান সরবরাহের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে৷ বিশেষ করে লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে৷

Deutschland Dioxin in Lebensmittel Labor NO FLASH

পরীক্ষাগারে ডিম পরীক্ষা চলছে

জার্মানিতে ঠিক কিভাবে গবাদি পশুর শুকনা খাদ্যে মাত্রাতিরিক্স ডাইঅক্সিন দূষণ ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি৷ তবে গত নভেম্বরে এবং ডিসেম্বরে লোয়ার সাক্সেনি রাজ্যে আড়াই হাজার টন দূষিত ফ্যাটি এসিড সরবরাহ করা হয়েছিল, যা পশু খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে৷ হার্লস অ্যান্ড ইয়েন্ৎস নামক একটি প্রতিষ্ঠান খামারগুলোকে এই দূষিত ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে৷

ডিসেম্বরের শেষের দিকে জার্মানিতে ডিমের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত ডাইঅক্সিন সনাক্ত করা হয়৷ এরপরই দু'টি রাজ্যে এই নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে৷ পরবর্তীতে আরো ১১টি জার্মান রাজ্যে ডাইঅক্সিন আতঙ্ক বাসা বাধে৷ লোয়ার সাক্সেনি ছাড়াও নর্থ রাইন ওয়েস্টফেলিয়ার ১৫২টি খামার বন্ধ রয়েছে এই আতঙ্কে৷

এদিকে, জার্মানি ছাড়াও নেদারল্যান্ডসে ডাইঅক্সিন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ বুধবার জার্মানি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানিয়েছে, ডাইঅক্সিন দূষিত খামারগুলো থেকে কমপক্ষে ১৩৬,০০০ ডিম কিংবা নয় টন গবাদি পশুর খাদ্য নেদারল্যান্ডসে রপ্তানি করা হয়েছে৷

উল্লেখ্য, জার্মানিতে খামারের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন