1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ডর্টমুন্ড না বায়ার্ন? গণক কি জ্যোতিষী হলে বলা যেতো

তা বলে প্রচেষ্টার কোনো কমতি নেই৷ জার্মানির বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় তাপির, ভোঁদড়, হাতি ইত্যাদি প্রাণীদের দিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করানো হচ্ছে৷ অন্যদিকে চলেছে অতীতের নানা হার-জিত থেকে নানাধরনের ‘লক্ষণ’এর অনুসন্ধান৷

আসলে ফুটবল এমন একটা খেলা যে, সেখানে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়৷ অথবা অন্যভাবে বলতে গেলে, ফুটবল দাবা নয়, আবার পাশাও নয়, বরং তার মাঝামাঝি৷ দ্বিতীয়ত, খেলার পরে খেলোয়াড়, দর্শক, পণ্ডিত-ভাষ্যকারদের বলার মতো অনেক কিছু থাকে৷ কিন্তু খেলার আগে? বিশেষ করে সে খেলা যদি ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল হয়, যা নিয়ে অন্তত হপ্তা দু'য়েক ধরে বাজার গুলজার হচ্ছে?

বদ রসিকতা

বলার যা কিছু ছিল, তা প্রায় বলা হয়ে গিয়েছে বলে মোটামুটি ধরে নেওয়া যায়৷ তবে রসিকতা করা যায় বৈকি৷ যেমন ইংল্যান্ডের সাবেক জাতীয় খেলোয়াড় গ্যারি লিনেকার একবার বলেছিলেন, ফুটবল হল এমন একটা খেলা, যেখানে ২২ জন লোক ৯০ মিনিট ধরে একটা বলকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় আর শেষমেষ জেতে জার্মানরা৷

এবার লিনেকার টুইট করেছেন: ‘‘ফাইনালে ২২ জন লোক ৯০ মিনিট ধরে বলটাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াবে আর শেষমেষ জিতবে জার্মানরা৷'' জার্মান-জার্মান ফাইনালে কে জিতবে, খোদ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলকে সে প্রশ্ন করা হলে, তিনিও বলেন: কোনো একটা জার্মান দল তো জিতবেই; তাতেই তিনি খুশি৷ এ'তে ইংল্যান্ডের পত্রিকাগুলো ঠাট্টা করে লিখেছে: এ হল ইংরেজদের পক্ষে একটা পার্ফেক্ট ফাইনাল, কেননা একটা না একটা জার্মান দল হারতে বাধ্য৷

সুলক্ষণ, কুলক্ষণ

ফুটবলাররা একটি কুসংস্কারাচ্ছন্ন জাতি৷ কোন পায়ে কোন বুট, দাড়ি কাটা কিংবা না কাটা, জার্সির নীচে টি-শার্ট, এ'সব তো আছেই৷ ফুটবল বিশারদরা তারও বাড়া৷ তারা বার করেন কবেকার কোন ম্যাচে কি হয়েছিল কিংবা হয়নি, সে সব লক্ষণ কিংবা কুলক্ষণ৷ বায়ার্নের বিদায়ী কোচ ইয়ুপ হাইনকেস'কে নিয়ে এখন যে খেলা চলেছে৷

১৯৭৮ সালে ডর্টমুন্ড বোরুসিয়া ম্যোনশেনগ্লাডবাখের কাছে হারে এক আশ্চর্য ১২-০ গোলে৷ বুন্ডেসলিগার ইতিহাসে এ'রকম আর কোনো ফলাফল নেই! সেবার গ্লাডবাখের হয়ে একাই পাঁচটি গোল করেছিলেন যে খেলোয়াড়, তার নাম ইয়ুপ হাইনকেস৷

১৯৯৮ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে ডর্টমুন্ড বায়ার্নকে হারায় অ্যাগ্রিগেটে ১-০ গোলে৷ ভালো কথা৷ কিন্তু পরের রাউন্ডকে যারা ডর্টমুন্ডকে বিদায় দেয়, তারা ছিল রেয়াল মাদ্রিদ৷ রেয়াল মাদ্রিদ সেবার ট্রফিটাও জেতে৷ রেয়ালের কোচ কে ছিলেন? ঐ ইয়ুপ হাইনকেস৷

প্রতিবেদনটির বাকি অংশ পড়তে ক্লিক করুন এখানে...

নির্বাচিত প্রতিবেদন