1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ডর্টমুন্ড-কাইজারলাউটার্ন ড্র, উল্লসিত বায়ার্ন মিউনিখ

জার্মান ফুটবল লিগ বুন্ডেসলিগার শিরোপা জয়ের দৌড়ে এগিয়ে থাকা বোরুসিয়া ডর্টমুন্ড ১-১ গোলে ড্র করেছে কাইজারলাউটার্নের সাথে৷ তবুও দ্বিতীয় স্থানে থাকা বায়ার লেভারকুজেনের সাথে ডর্টমুন্ডের ব্যবধান এখনও ১০ পয়েন্ট৷

default

ডর্টমুন্ড-কাইজারলাউটার্ন খেলার একটি মুহূর্ত

শনিবার কাইজারলাউটার্নের মাঠ থেকে তিন পয়েন্ট হাতিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছিল চলতি মৌসুমে শীর্ষে থাকা ডর্টমুন্ড৷ তবুও পয়েন্ট তালিকায় ১৪তম স্থানে থাকা স্বাগতিকরা জোর লড়াই চালিয়ে গেছে ডর্টমুন্ডের সাথে৷ ৮২ মিনিট পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি কোন পক্ষই৷ অবশেষে ডর্টমুন্ডের আশা পূরণের সম্ভাবনা জোরালো করে স্ভেন বেন্ডারের গোল৷ কিন্তু খেলার শেষ মুহূর্তে গোল করে সমতা আনেন ইয়ান মোরাভেক৷

এদিকে, খেলার ৮৫ মিনিটে লাল কার্ড খেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ডর্টমুন্ডের ডিফেন্ডার নেভেন শুবোটিচকে৷ ফলে ১-১ গোলে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের দলকে৷ অবশ্য ৫২ পয়েন্ট নিয়ে বেশ সমৃদ্ধ ডর্টমুন্ডের ঝুলি৷ কারণ দ্বিতীয় স্থানে থাকা লেভারকুজেনের সাথে ব্যবধান ১০ পয়েন্ট৷ আর ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে বায়ার্ন মিউনিখ৷

তবুও শনিবার বেশ উল্লসিত মিউনিখ৷ কারণ শনিবার প্রথমবারের মতো আরিয়েন রবেন আর ফ্রাঙ্ক রিবেরি জুটিকে মাঠে নামিয়ে ৪-০ গোলে জয় পেয়েছে মিউনিখ৷ হফেনহাইমের বিরুদ্ধে ৬৩ এবং ৮১ মিনিটে দু'টি গোল করেন রবেন৷ তবে খেলার শুরুর দু'মিনিটের মধ্যেই গোল করে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান মারিও গোমেজ৷ আর এই গোলের মধ্য দিয়ে চলতি মৌসুমে ১৭টি গোলের অধিকারী হলেন গোমেজ৷ ফলে চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে পৌঁছে গেছেন তিনি৷ আর ১৫টি গোল দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ফ্রাইবুর্গের পাপিস সিসে৷

যাহোক, শনিবার মিউনিখের পক্ষে দ্বিতীয় গোলটি আসে ১৫ মিনিটে৷ থমাস ম্যুলারের গোলে ২-০ তে এগিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে মিউনিখ৷ দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধের প্রত্যয় নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠেনি হফেনহাইম৷ বরং রবেনের জোড়া গোলে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৪-০৷

দিনের অপর খেলায় বায়ার লেভারকুজেন ৩-০ গোলে হারিয়েছে আইনট্রাক্ট ফ্রাঙ্কফুর্টকে৷ লেভারকুজেনের পক্ষে ৯ মিনিটে গোল করেন সিমোন রোল্ফস৷ ৩২ মিনিটে দ্বিতীয় গোল আসে রেনাটো আউগুস্টোর পা থেকে৷ আর শেষ সময়ে তৃতীয় গোল করে ব্যবধান বাড়ান হানো বালিৎশ৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়