1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্প: উন্নয়ন সাহায্য কমিয়ে সামরিক খাতে ব্যয়

হোয়াইট হাউস সামরিক খাতে ‘ঐতিহাসিক ব্যয়বৃদ্ধির' প্রস্তাব দিয়েছে, যার পরিমাণ হবে ৫,৪০০ কোটি ডলার (৪৩ লক্ষ কোটি টাকা)৷ ট্রাম্পের খসড়া বাজেটে এই অর্থ আসবে বিভিন্ন বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ সাহায্য কর্মসূচি হ্রাস করে৷

ট্রাম্প চান সামরিক খাতে ‘ঐতিহাসিক' ব্যয়বৃদ্ধি, যদিও কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় গোষ্ঠীই এই পরিকল্পনার বিরোধী – এবং তারাই এই বাজেট পাশ করবেন৷

হোয়াইট হাউসের পরিকল্পনা অনুযায়ী পেন্টাগনের বাজেট ১০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়াবে ৬০৩ বিলিয়ন ডলারে৷ ঐ বাড়তি অর্থ আসবে বৈদেশিক সাহায্য এবং স্বদেশে নানা সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি হ্রাস করে৷ ট্রাম্প যে সরকারকে ‘‘কৃশ'' করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এটা সম্ভবত সেই নীতির অঙ্গ৷ দৃশ্যত পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ও পররাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট, ও সেই সঙ্গে বৈদেশিক সাহায্য কমানো হবে – যদিও পরিকল্পনার খুঁটিনাটি মার্চের আগে জানার সম্ভাবনা নেই৷

ভিডিও দেখুন 00:18

ট্রাম্প প্রশাসনের এর কর্মকর্তা ‘‘বৈদেশিক সাহায্যে বড় ধরনের হ্রাসের'' কথা বলেছেন৷ বস্তুত মার্কিন বাজেটের মাত্র এক শতাংশ যায় বৈদেশিক সাহায্যে, কাজেই সেই সাহায্য পুরোপুরি বাদ দিলেও সামরিক খাতে যা প্রয়োজন, তার সিকিভাগও উঠবে না৷

তবুও হোয়াইট হাউসের বাজেট পরিচালক মিক মালভেনি এই বাজেটকে বাস্তবিক একটি ‘‘অ্যামেরিকা ফার্স্ট বাজেট'' বলে অভিহিত করেছেন৷ এই বাজেট ‘‘আমাদের পারমাণবিক শক্তিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা'' করবে ও ‘‘আমাদের সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠন'' করবে, ‘‘দেশকে সুরক্ষিত ও সীমান্তকে নিরাপদ'' করবে – বলেছেন মালভেনি৷ এ'জন্য দৃশ্যত বাজেটের এক-ষষ্ঠমাংশ যাবে প্রতিরক্ষায় – যা কিনা সামরিক খাতে ব্যয়ের তালিকায় পরবর্তী সাতটি দেশের সামগ্রিক খরচের সমান৷

ডেমোক্র্যাটরা এই বাজেট রুখতে পারেন: তারা গোড়া থেকেই এই পরিকল্পনার বিরোধী, বিশেষ করে যে সব কর্মসূচি ‘‘মধ্যবিত্ত শ্রেণির উপকার করে'', সেগুলি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনায়৷ অপরদিকে রিপাবলিকান সেনেটর জন ম্যাককেইন হোয়াইট হাউসের নতুন বাজেটে সামরিক ব্যয়কে ওবামার বাজেট থেকে মাত্র তিন শতাংশ বাড়তে দেখছেন৷

আসল চমক সম্ভবত এই যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর ১২০ জনের বেশি অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ও অ্যাডমিরালরা ট্রাম্পের প্রতি কূটনীতি ও বৈদেশিক সাহায্য হ্রাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন৷

এসি/ডিজি (এএফপি, এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন