1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মধ্যপ্রাচ্য

‘ট্রাম্পের সুযোগ্য নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে'

ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির আশা প্রকাশ করেন৷ ট্রাম্প বলেছেন, তিনি অবশ্যই শান্তি আনবেন৷

‘ইটস ইজি' – ট্রাম্পের মুখে এই বুলি প্রায়ই শোনা যায়৷ তাঁর কাছে প্রেসিডেন্টের কাজ সহজ মনে হয়েছিল৷ বলেছিলেন, ‘ওবামাকেয়ার' স্বাস্থ্য বিমা বাতিল করে নতুন কাঠামো চালু করাও সহজ হবে৷ উত্তর কোরিয়া সংকটের সমাধানও সহজ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি৷ পরে অবশ্য প্রতি বার বলেছেন, যতটা ভেবেছিলেন, বিষয়গুলি আসলে ততটা সহজ নয়৷ ‘এমনটা কেউ জানতো না' – বলে শ্লেষের পাত্র হয়েছেন তিনি৷

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ক্ষেত্রেও ডোনাল্ড ট্রাম্প একই রকম আশাবাদী৷ তিনি ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে মধ্যস্থতা করে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন বলে মনে করেন৷ এর জন্য যা প্রয়োজন তিনি তা করতে প্রস্তুত৷ নিজের জামাই ও বিশ্বস্ত উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারকে এই উদ্যোগের দায়িত্ব দিয়ে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন৷ তবে এতকাল স্তব্ধ থাকার পর শান্তি আলোচনা শুরু করতে তিনি ঠিক কী করবেন, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি ট্রাম্প৷ মোটকথা একের পর এক মার্কিন প্রেসিডেন্ট যা পারেননি, তিনি সেই অসাধ্য সাধন করবেন বলে মনে করেন৷ তাছাড়া আগের মতোই তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানসূত্র চাইছেন কিনা, তাও স্পষ্ট নয়৷

হোয়াইট হাউসে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে আলোচনার পর ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়ে বেশ উৎসাহ দেখিয়েছেন৷ আব্বাসের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা – ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে হিংসার প্ররোচনা বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে৷ তাছাড়া ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের পরিবারগুলিকে অর্থ দেওয়াও বন্ধ করতে হবে, যেমনটা ইসরায়েল বহুদিন ধরে দাবি করে আসছে৷ উল্লেখ্য, মার্কিন সংসদ সদস্যরা এ কারণে ফিলিস্তিনিদের জন্য আর্থিক অনুদান বন্ধ করে দেবার হুমকি দিচ্ছেন৷

আব্বাস ট্রাম্পের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতে মোক্ষম অস্ত্র প্রয়োগ করেছেন৷ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে নিজের প্রশংসা শুনতে বেশ ভালবাসেন, তা তিনি বিলক্ষণ জানতেন৷ তাই তিনিও ট্রাম্পের প্রতি ‘পূর্ণ আস্থা' প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আপনার সাহসি নেতৃত্ব, আপনার বিচক্ষণতা এবং আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে আসার ক্ষমতার ভিত্তিতে ফিলিস্তিনিরা ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি চাইছে৷'' তবে আব্বাস অধিকৃত এলাকা থেকে ইসরায়েলের সরে যাবার দাবিতে অটল রয়েছেন৷

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প৷ বারাক ওবামার সঙ্গে চরম মনোমালিন্যের পর ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগে দেরি করেননি তিনি৷ আগামী ২২ ও ২৩শে মে ট্রাম্প ইসরায়েল এবং সম্ভবত পশ্চিম তীর সফর করবেন বলে মনে করা হচ্ছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়