1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের নির্বাচনের বিরোধিতা করে কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ

নির্বাচনি প্রচারণার সময় অভিবাসন ও মুসলিমবিরোধী বক্তব্য দেয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় বুধবার দেশটির অন্তত দশটি শহরে বিক্ষোভ হয়েছে৷

বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পুত্তলিকা পুড়িয়েছেন, কয়েক জায়গায় যান চলাচল ব্যাহতও করেছেন৷ তবে বেশিরভাগ বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল৷

নিউ ইয়র্কের ফিফথ অ্যাভিনিউতে ট্রাম্প টাওয়ারের সামনে বিক্ষোভকারীরা জড় হয়েছিলেন৷ সেই সময় তাঁদের কয়েকজনের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘ট্রাম্পকে আবর্জনার স্তূপে ফেলে দাও'৷ বিক্ষোভকারীরা ‘নট মাই প্রেসিডেন্ট' বলে স্লোগান দিয়েছেন৷ উল্লেখ্য, ট্রাম্প টাওয়ারেই বাস করেন ট্রাম্প৷

ট্রাম্পের বাড়ির সামনে আবর্জনা ফেলার একটি ট্রাকে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে মার্কিন তারকা লেডি গাগাকেও৷

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, নিউ ইয়র্কে বিক্ষোভের সময় পুলিশ ১৫ জনকে আটক করেছে৷

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের সামনে জড় হয়েছিলেন কয়েকশত বিক্ষোভকারী৷

লস অ্যাঞ্জেলসে বিক্ষোভকারীরা যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল৷ পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের সরাতে চেষ্টা করে৷ এসময় ১৩ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স৷

ক্যালিফোর্নিয়াতেও প্রায় ছয় হাজার বিক্ষোভকারী যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়৷ এছাড়া পুলিশের ওপর বিভিন্ন জিনিস ছুড়ে মারে৷ পুলিশও তাদের দিকে রাসায়নিক উপাদান নিক্ষেপ করে৷ এই সময় পুলিশের দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সিএনএন৷

বিক্ষোভ হয়েছে সিয়াটল, শিকাগো, ফিলাডেসফিয়া, বস্টন, পোর্টল্যান্ড সহ অন্যান্য শহরেও৷

তবে বিক্ষোভকারীদের সমালোচনা করে টুইট করেছেন পল জোসেফ ওয়াটসন৷ তিনি বলেছেন, ‘‘তোমরা (বিক্ষোভকারীরা) আসলে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছ৷ তোমরা উত্তর কোরিয়ায় চলে যাও৷''

আরেক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘আজ হিলারি ও ওবামার দু'টি প্রায় একই বিষয় খেয়াল করেছেন? ‘বিশ্বকে দেখাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর' এর অঙ্গীকার....তারপর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ আয়োজন৷'' নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর হিলারি ও ওবামার দেয়া বক্তব্যের বিষয়টি এখানে উল্লেখ করেছেন এই টুইটার ব্যবহারকারী৷

এদিকে, ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার পর বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মাহা আব্দুল গাওয়াদ ৷ ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি আজ ওয়ালমার্টে গিয়েছিলাম৷ একজন মহিলা আমার দিকে এগিয়ে এসে আমার হিজাব খুলে ফেলে৷ তারপর বলে, ‘এটি (হিজাব) পরার অনুমতি এখন আর নেই৷ যাও এটা তোমার গলায় পেঁচিয়ে রাখ, মাথায় নয়৷ আমি এখন ভীত, সন্ত্রস্ত৷'' গাওয়াদের এই ফেসবুক স্ট্যাটাসটি টুইটারে শেয়ার করেছেন তারিক নাশিদ৷

জেডএইচ/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়