1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের দ্বিতীয় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাও আটকে গেল

নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এক মসজিদের ইমামের অভিযোগের ভিত্তিতে তা রুখে দিলেন হাওয়াইয়ের এক ফেডারাল বিচারক৷ ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘এটা বিচারবিভাগীয় বাড়াবাড়ি৷'' 

ছয়টি মুসলিম অধ্যুষিত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে আসা নিষিদ্ধ করে ট্রাম্প যে দ্বিতীয় নির্বাহী নির্দেশ জারি করেছেন, মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জাজ ডেরিক কে. ওয়াটসন তা বন্ধ রাখার আদেশ দিয়েছেন৷ এর ফলে এই নিষেধাজ্ঞা বস্তুত গোটা দেশে স্থগিত হলো৷

এই নির্বাহী নির্দেশ ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্যের কারণে মার্কিন সংবিধানের বিরোধী বলে হাওয়াই রাজ্য যে যুক্তি দেখিয়েছে, তা গৃহীত হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিচারক ওয়াটসন জানিয়েছেন৷

হাওয়াইয়ের মসজিদের ইমামের যুক্তি ছিল, ট্রাম্পের নির্বাহী নির্দেশ তাঁর সিরীয় শাশুড়িকে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে দেবে না, যার ফলে ‘ধর্ম ও জাতিগত উৎপত্তির ভিত্তিতে' ইমাম ও তাঁর পরিবারকে তাদের ‘বিদেশে বসবাসকারী পারিবারিক সদস্যদের সঙ্গে মেলামেশার অধিকার' থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে৷

বুধবার আদালতের রায়ে বলা হয় যে, নির্বাহী নির্দেশের দ্বিতীয় এবং ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ দু'টি বলবৎ করা ‘নিষিদ্ধ' করা হলো৷ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে রয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলির নাগরিকরা আগামী ৯০ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবেন না৷ ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বাস্তু কর্মসূচি ১২০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

ট্রাম্প মনে করেন আদালতের এ রায় ‘অভূতপূর্ব বিচারবিভাগীয় বাড়াবাড়ি'-র অংশ৷ এই স্থগিতাদেশ চ্যালেঞ্জ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ আরো জানিয়েছেন, তার জন্য যদি সুপ্রিম কোর্টে যেতে হয়, যাবেন৷ মার্কিন আইন মন্ত্রণালয়ও বলেছে যে, জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট আদালতের এই রায়ে ‘বিশেষভাবে অসম্মত'৷

বিচারক ওয়াটসন তাঁর রায়ে ‘‘সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্দেশ্যের সমর্থনে অপ্রত্যয়যোগ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ''-এর কথা বলেছেন৷

নিষেধাজ্ঞার প্রথম ও দ্বিতীয় প্রচেষ্টা

গত জানুয়ারি মাসে ট্রাম্পের প্রথম নির্বাহী নির্দেশে ইরাক, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেন- এই সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল৷ এবার ইরাককে সেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়৷

প্রথম নিষেধাজ্ঞা হঠাৎ বলবৎ করার ফলে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়েন, যার ফলে যুক্তরাষ্টের বিভিন্ন বিমানবন্দরে স্বতঃস্ফুর্ত বিক্ষোভের অবতারণা ঘটে৷ অবশ্য ফেব্রুয়ারি মাসে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায় যে, ষাট হাজার ভিসা ঐ প্রথম নির্বাহী নির্দেশের ফলে বাতিল হয়েছে৷

প্রথম নির্বাহী নির্দেশের এক সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটন রাজ্যের এক ফেডারাল বিচারক নির্বাহী নির্দেশটিকে স্থগিত রাখেন এই যুক্তি দেখিয়ে যে, এই নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অধিবাসীদের তাদের প্রাপ্য প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করছে৷

এসি/এসিবি (রয়টার্স, এপি, এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়