1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

ট্রাম্পকে ম্যার্কেলের বার্তা বহুল প্রশংসিত

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনে যখন দুনিয়া সচকিত ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ চলেছে, তখন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সুবিবেচিত বার্তা ও সেই সঙ্গে সাবধানবাণী বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে৷

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনে যখন দুনিয়া সচকিত ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ চলেছে, তখন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সুবিবেচিত বার্তা ও সেই সঙ্গে সাবধানবাণী বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে৷

সাধারণত ‘‘লিডার অফ দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড'' বা ‘মুক্ত বিশ্বের নেতা' আখ্যাটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্যই তোলা থাকে৷ এবার সেটা টুইটারে বারংবার আঙ্গেলা ম্যার্কেল সম্পর্কে ব্যবহার করা হচ্ছে৷

বার্লিনের চ্যান্সেলারি থেকে করা মন্তব্যে ম্যার্কেল বলেছেন:

‘‘(সব মানুষের) জন্ম, গাত্রবর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ, যৌন প্রবণতা বা রাজনৈতিক মতামত নির্বিশেষে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও মানবমর্যাদার মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জার্মানি ও অ্যামেরিকার মধ্যে যোগসূত্র৷ এই মূল্যবোধের ভিত্তিতে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্টকে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রস্তাব দিচ্ছি৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারিত্ব জার্মানি বিদেশনীতির ভিত্তি ও ভবিষ্যতেও তাই থাকবে৷''

একটি সপ্রশংস টুইট বলছে, ‘‘আঙ্গেলা ম্যার্কেল হতাশ করেন না৷ তিনি স্পষ্টবক্তা; মর্যাদা ও সমানাধিকারকে ট্রাম্পের সঙ্গে সহযোগিতার পূর্বশর্ত করেছেন৷''

অন্যান্য টুইট বলছে:

- ‘‘ম্যার্কেলই একমাত্র নেতা যিনি ট্রাম্পকে অভিন্দন করার সময় তাঁর নিজের মূল্যবোধকে তুলে ধরেছেন'';

- ‘‘আঙ্গেলা ম্যার্কেল তাঁর বার্তা দিয়ে টেরেসা মে-কে লজ্জায় ফেলে দিয়েছেন'';

- ‘‘একজন প্রকৃত অভিজ্ঞ রাজনীতিক যে কেমন, আঙ্গেলা ম্যার্কেল তা আমাদের স্মরণ করিয়ে দিলেন'';

- ‘‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনের প্রতি সেরা প্রতিক্রিয়া''৷

অপরদিকে ট্রাম্পের নির্বাচন যে বিশ্বের রাজনৈতিক গঠনপ্রণালীকেই বদলে দেবার ক্ষমতা রাখে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটনের ইউরোপীয় সহযোগীরা পুরোমাত্রায় সচেতন, বিশেষ করে যখন ট্রাম্প ইতিপূর্বে ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষার গ্যারান্টি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন৷ যে কারণে ন্যাটোর নরওয়েজীয় প্রধান বলতে বাধ্য হয়েছেন যে, ট্রাম্প এভাবে নিরাপত্তার গ্যারান্টি বাতিল করতে পারেন না৷ অন্যদিকে ট্রাম্পের প্রদর্শিত পুটিন প্রীতির কারণে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলির চিন্তায় পড়েছে৷

ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাথাব্যথা শুধু একটা নয়, অনেক: বাণিজ্যিক সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা ও চুক্তি, রাশিয়া, এছাড়া ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ৷ এ সব ক্ষেত্রেই হয়ত ইউরোপকে তার নিজের পথ খুঁজে নিতে হবে, যদি ট্রাম্প অ্যামেরিকাকে সত্যিই বিশ্বরাজনীতির মঞ্চ থেকে সরিয়ে নেন৷ তবে ট্রাম্পের নির্বাচনে ব্রেক্সিট সমর্থকদের হর্ষটাও দেখবার মতো...

এসি/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়