1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

টোমাস বাখের আশা-আকাঙ্ক্ষা

মঙ্গলবার সরকারিভাবে আইওসির দায়িত্ব নিতে চলেছেন জার্মানির টোমাস বাখ৷ সুইজারল্যান্ডের লোসানে আইওসি-র মুখ্য কার্যালায়ে তাঁকে স্বাগত জানাবেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জাক রগে৷ ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে কী ভাবছেন টোমাস বাখ?

৫৯ বছর বয়সি প্রাক্তন ক্রীড়াবিদ টোমাস বাখ আইওসি-কে নিজের ঘরবাড়ির মতো চেনেন৷ কাজেই খুব ঢাকঢোল পিটিয়ে কাজ শুরু করছেন না তিনি৷ কাজ বলতে তাঁর পূর্বসূরির কাছ থেকে ফাইলপত্তর বুঝে নেওয়া৷ তারপরেই ঘাড়ে এসে পড়বে ২০১৪-য় সোচি-তে শীতকালীন অলিম্পিক্স, যার সাফল্য-অসাফল্যের দায়িত্ব খানিকটা অলিম্পিকের বড়কর্তার ওপর বৈকি৷ কাজেই বাখের প্রথম সরকারি সফর হবে গ্রিসে গিয়ে অলিম্পিক অগ্নি প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে হাজির থাকা৷

টোমাস বাখের ভাবনাচিন্তা

আইওসি-র প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি নতুন কী করার কথা ভাবছেন – নির্বাচনের পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে বাখ-কে সে প্রশ্ন করা হয়েছিল৷ তিনি বলেন, তিনি ম্যাচ ফিক্সিং-এর বিরুদ্ধে আরো রুখে দাঁড়াতে চান৷ এছাড়া কিশোর-যুব মহলের যাতে খেলাধুলায় আগ্রহ বাড়ে, সেটাও তাঁর একটা লক্ষ্য৷

Thomas Bach

বাখ বলেন ম্যাচ ফিক্সিং-এর বিরুদ্ধে আরো রুখে দাঁড়াতে চান তিনি

সেটা ছিল নির্বাচনের দিন৷ তার পরের দিন সকালে ঐ সাংবাদিকদেরই একটা বিধিবর্জিত জটলায় বাখ আরো একটি মহৎ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যের কথা বলেন: যে সব শহর এবং যে ধরনের শহর অলিম্পিক আয়োজনের আবেদন করে, তাদের মনোবৃত্তিটাই তিনি বদলে দিতে চান৷ ‘‘আজ আমাদের বিডিং করার পদ্ধতিটা এমন যে, আমরা আবেদনকারী শহরগুলোর কাছ থেকে বড় বেশি চাই, এবং তা বড় আগে থেকে চাই,'' বলেন বাখ৷

ব্যবসা বনাম সৃজনশীলতা

‘‘আমরা যেন শহরগুলোকে কোনো ব্যবসা কিংবা ফ্র্যানচাইজের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি৷ এর ফলে এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্ট হয় যে, অলিম্পিক আয়োজনের আবেদনপত্রগুলো যেন একই লোক অথবা লোকেরা লিখেছে, তা সে শহর বিশ্বের যে কোণেই হোক না কেন৷ আমি সত্যি-সত্যি বলতে পারি, আবেদনকারী শহরগুলোর সঙ্গে প্রশ্নোত্তর বৈঠকে আমি আগে থেকেই উত্তরগুলো জানি, কেননা আমি সেগুলো এর আগেই শুনেছি৷ আমি এই মনোবৃত্তিটা বদলাতে চাই,'' ঘোষণা করেন বাখ৷

‘‘আমি আমন্ত্রণকারী শহরগুলোকে ডেকে জানতে চাইব, অলিম্পিক গেমস তাদের শহর, তাদের অঞ্চল, তাদের দেশের উন্নয়ন, তাদের নিজেদের টেঁকসই বিকাশের সঙ্গে খাপ খাবে কিনা৷ এর ফলে তারা তাদের নিজেদের ধ্যানধারণা, তাদের নিজেদের সৃজনশীলতা দেখাতে পারবে এবং তাদের শহর কিংবা অঞ্চলের মানুষরাও গোড়া থেকেই অলিম্পিক আয়োজনের আবেদনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে৷ তার ফলে আবেদনকারীদের সংখ্যা বাড়বে, সৃজনশীলতা, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে, তরুণ প্রজন্মের উৎসাহ এবং সহযোগিতা পাওয়া যাবে৷ এটা করা খুব সহজ হবে না এবং আমাদের একটা ন্যূনতম মান রেখে চলতে হবে৷ তবে আপাতত আমরা বড় তাড়াতাড়ি বড় বেশি শর্ত চাপাচ্ছি বলে আমার ধারণা৷''

বাখই প্রথম আইওসি প্রেসিডেন্ট, যিনি স্বয়ং একজন অলিম্পিক গোল্ড মেডালিস্ট৷ ১৯৭৬ সালের অলিম্পিকে তিনি ফেন্সিং-এর টিম ফয়েল বিভাগে স্বর্ণপদক জয় করেছিলেন৷

এসি / এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন