1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

টেনিসের ‘হল অফ ফেম’-এ মার্টিনা হিঙ্গিস

বয়স ১৪ হওয়ার আগেই পেশাদারি টেনিসে আবির্ভাব৷ ১৭ বছর বয়সে তিন তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম৷ আর ক্যারিয়ার শেষে সব মিলিয়ে ১৫টি৷ এই যার রেকর্ড, তিনি তো ‘হল অফ ফেম’-এ স্থান পেতেই পারেন৷

default

প্রতীকী ছবি

তেমনটাই হয়েছে ৩২ বছর বয়সি সাবেক সুইস টেনিস তারকা মার্টিনা হিঙ্গিসের ক্ষেত্রে৷ ফলে তিনি চতুর্থ সর্বাপেক্ষা কমবয়সি হিসেবে এই মর্যাদার অধিকারী হলেন৷ এর আগে ৩০ বছর বয়সে ট্রেসি অস্টিন, ৩১ বছর বয়সে বিয়ন বর্গ আর ৩২ বছর বয়সি হানা মানডলিকোভা জায়গা করে নিয়েছেন টেনিসের ‘হল অফ ফেম'-এ৷

বারো-তে শুরু

মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯৯৩ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের জুনিয়র টাইটেল দিয়ে শুরু৷ এরপর ১৯৯৭ সালে একসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান, উইম্বলডন আর ইউএস ওপেন জেতেন হিঙ্গিস, যাঁর নামের প্রথম অংশ ‘মার্টিনা' এসেছে কিংবদন্তি টেনিস খেলোয়াড় মার্টিনা নাভ্রাতিলোভার কাছ থেকে৷

Swiss tennis player Martina Hingis faces the press, in Glattbrugg, Zurich, Switzerland, 01 November 2007 in Glattbrugg, Switzerland. Martina Hingis said she has been accused of testing positive for cocaine at Wimbledon, and announced her retirement from professional tennis. Hingis, a five-time Grand Slam champion and former Wimbledon winner, denied using cocaine. EPA/WALTER BIERI +++(c) dpa - Report

সাবেক সুইস টেনিস তারকা মার্টিনা হিঙ্গিস

এরপর ১৯৯৮ ও ৯৯ সালে আবারো অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতেন হিঙ্গিস৷ এছাড়া ‘ডাবল' থেকে নয়টি আর ‘মিক্সড ডাবল' থেকে আরো একটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মুকুট যোগ হয় তাঁর মাথায়৷

এভাবে একে একে ১৫টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম যখন জেতেন হিঙ্গিসের বয়স তখন মাত্র ২২৷ সেই সময় একটা ইনজুরিতে পড়ে টেনিস থেকে বিদায় নিতে হয় তাঁকে৷ অবশ্য চার বছর আবার ফিরে এসেছিলেন তিনি৷ কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোকেন নেয়ার অভিযোগ ওঠায় আবারো অবসরে চলে যান হিঙ্গিস৷ যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোনো আইনি লড়াইয়ে যাননি তিনি৷

প্রতিক্রিয়া

হল অফ ফেম'-এ নাম ওঠায় যারপরনাই খুশি হিঙ্গিস৷ ‘‘ধন্যবাদ টেনিস, তুমি আমাকে বিশ্বটা এনে দিয়েছ৷'' এটা বলার সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘‘সত্যি বলছি আমি শব্দ হারিয়ে ফেলেছি৷ আমি যে কি খুশি হয়েছি সেটা প্রকাশ করার শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না৷''

জেডএইচ/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন