টুইটার বন্ধ করে দিয়েছে তুর্কি সরকার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 23.03.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

টুইটার বন্ধ করে দিয়েছে তুর্কি সরকার

তুরস্কে টুইটার নিষিদ্ধ করেছে সেদেশের সরকার৷ ফলে মাইক্রোব্লগিং সাইটটিতে আর প্রবেশ করতে পারছে না তুরস্কের সাধারণ মানুষ৷ আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷

তুরস্কে আগামী ৩০শে মার্চ স্থানীয় নির্বাচন৷ এই নির্বাচনের আগেই অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর প্রতি কঠোর হলেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান৷ তিনি টুইটার ‘নির্মূলের' ঘোষণা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই তুরস্কে বন্ধ হয়ে গেছে টুইটার৷ ফলে ব্যবহারকারীরা সাইটটিতে প্রবেশ করতে চাইলে ‘এরর' বার্তা আসে অথবা অন্য একটি ওয়েবসাইটে চালু হয়, যেখানে লেখা আছে আদালতের নির্দেশে ‘প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা' নেয়া হয়েছে৷

ইন্টারনেটের উপর কড়াকড়ি বাড়াতে গত মাসে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করা হয় তুরস্কে৷ এই আইনের আওতায় কর্তৃপক্ষ যে কোনো ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিতে পারবে এবং চাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওয়েব ইতিহাসও পর্যবেক্ষণ করতে পারবে৷

Türkei Twitter Sperrung 21.03.2014 Istanbul

প্রধানমন্ত্রী রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান টুইটার ‘নির্মূলের' ঘোষণা দিয়েছিলেন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কর্তৃপক্ষ বিটিকে জানিয়েছে, নিরাপত্তার বিবেচনায় টুইটার থেকে কিছু পোস্ট সরিয়ে ফেলার অনুরোধ জানায় সাইটটির ব্যবহারকারীরা৷ কিন্তু মাইক্রোব্লগ সাইটটি সেই অনুরোধ আমলে না নেয়ায় তুরস্কে পুরো সাইটটি ব্লক করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷

তবে টুইটার বন্ধের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ গুল৷ ইন্টারনেট সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে অতীতেও সরব ছিলেন তিনি৷

প্রসঙ্গত, ইসলামপন্থি দল একে পার্টির নেতা রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান গত ১১ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন৷ আর প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন দলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ গুল৷ তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ দুই নেতার বিরোধ এখন স্পষ্ট৷

উল্লেখ্য, তুরস্কে টুইটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা দশ মিলিয়নের মতো৷ আর ফেসবুক ব্যবহারকারী প্রায় ৩০ মিলিয়ন৷ দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে৷ প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানে ইউটিউবও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়