1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

টুইটার উঠবে একশ চল্লিশ থেকে দশ হাজারে

বাজারে গুজব সেরকমই৷ টুইটার নাকি একটি নতুন ফিচার তৈরি করছে, যার কল্যাণে তার প্রখ্যাত বা কুখ্যাত বর্ণ-অক্ষর-চিহ্ন সীমা ১৪০ থেকে বেড়ে ১০,০০০-এ দাঁড়াবে৷ অবশ্য সবাই এ-তে যে খুব খুশি, সেটা বলা যাচ্ছে না৷

১৪০টি ক্যারেক্টারের টুইট, এই তো আমরা চিরকাল জেনে এসেছি৷ গত মঙ্গলবারে প্রযুক্তির খবরাখবর সংক্রান্ত ওয়েবসাইট রি-কোড জানায় যে, টুইটারে মাইক্রোব্লগিং এবার ১৪০টি বর্ণ, অক্ষর বা চিহ্নে সীমিত না থেকে, ১০ হাজারে উঠতে পারে৷

নতুন ফিচারের রিলিজের সঠিক তারিখ এখনও অজ্ঞাত৷ যাতে তার টাইমলাইনের চেহারা না বদলায়, সেজন্য টুইটার আপাতত একটি মডেল টেস্ট করছে, যা-তে প্রথমে ১৪০টি ক্যারেক্টার দেখা যাবে, কিন্তু টুইটের ওপর ক্লিক করলে আরো বেশি টেক্সট দেখা যাবে৷

১৪০ ক্যারেক্টারের সীমাটা আদতে আরোপ করা হয়েছিল সফটওয়্যারের কিছু বাধ্যবাধকতা ছিল বলে৷ প্রযুক্তি যে আর কোনো বাধা নয়, কোম্পানির বাণিজ্যিক ‘ডাইরেক্ট মেসেজেস' প্রোডাক্টটিই যার প্রমাণ৷ ডাইরেক্ট মেসেজেস-এর মাধ্যমে দশ হাজার বর্ণ, অক্ষর ও চিহ্নের টুইট পাঠানো যায়৷

টুইটারে রোষ

সুশান্ত টুইট করেছেন: ‘টুইটার দশ হাজারের আইডিয়াটা ভালো নয়৷ টুইটারের মজাই হলো ১৪০৷'

টুইটার দৃশ্যত এই পন্থায় তার বিজ্ঞাপন থেকে আয় ও ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বাড়াতে চায়৷ যেমন টুইটার ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ৩০ কোটির বেশি হলেও, ইন্সটাগ্রাম ব্যবহারকারীদের সংখ্যা এখন ৪০ কোটির বেশি৷ তা সত্ত্বেও পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের সন্দেহ থেকে যাচ্ছে৷ এরিক হিপো টুইট করেছেন: ‘টুইটারের এই ধারণাটা পরিত্যাগ করা উচিত যে, তাদের ফেসবুকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা চালাতে হবে৷' তার চেয়ে টুইটারের ‘প্রভাবসম্পন্ন নেটওয়ার্ক হিসেবে তার স্বাভাবিক ভূমিকা' গ্রহণ করা উচিত৷

তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়া যে ঠিক বাস্তবের ধার ধেরে চলে না, সেটা তো ‘নিউ ইয়ার্স স্টিভ' তাঁর টুইটেই বলে দিয়েছেন: ‘ফেসবুকে যতটা দেখায়, ততটা আসলে কেউ সুখি নয়; টুইটারে যতটা দেখায়, ততটা দুখি নয়; বা লিঙ্কডইন-এ যতটা দেখায়, ততটা ব্যস্ত নয়৷'

এসি/ডিজি (ডিডাব্লিউ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন